1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন

করোনার জিনোম সিকোয়েন্স উদঘাটন করলো দেশের বিজ্ঞানীরা

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ১৩ মে, ২০২০
  • ৪৮ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের একদল বিজ্ঞানীরা এই প্রথম নভেল করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং উদঘাটন সম্পন্ন করেছেন। বাংলাদেশ থেকে এটি  করোনাভাইরাসের প্রথম জিনোম সিকোয়েন্স উপাত্ত, নিয়ম অনুযায়ী গ্লোবাল জিনোম ভাইরাস ডাটাবেজ জমা দিয়েছেন  চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন।গত ১২ মে ২০২০, এক বিজ্ঞপ্তির মাধমে চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন কর্তৃক এ তথ্য জানানো হয়। অণূজীববিজ্ঞানী ড. সেঁজুতি সাহা, রোলি মালাকার এবং মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব তিন সদস্যের দলকে,  বিশিষ্ট মাইক্রোবায়োলজিস্ট এবং সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক ড.সমীর সাহা, নেতৃত্ব দেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে  জানা যায়।

জিনোম সিকোয়েন্সিং হ’ল নিউক্লিয়োটাইডস – ডিএনএ এবং আরএনএর বুনিয়াদি ব্লক – একটি নির্দিষ্ট কোষে এবং কোন ক্রমে উপস্থিত রয়েছে তা চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া। উদ্দিপিত ডা. সেঁজুতি বলেছেন,এক মাস ধরে এটি নিয়ে কাজ করছি, তবে সিকোয়েন্সিংয়ের, আসল কাজটি ৪ দিন হল শেষ হয়েছে।করোনার জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের অর্থ হ’ল বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারে যে এটি কোন স্ট্রেন, কোন দেশ থেকে এবং কখন বাংলাদেশে এসেছে। বাংলাদেশে যে করোনাভাইরাস, সেটার পুরো অবয়ব বোঝা যাবে। এর শক্তি কতটুকু সেটা বোঝা যাবে এবং এটা কোন গতিতে চলবে, এর গতি প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা করতে পারবো।’

ডা. সেঁজুতি বলেছেন,  এটি আমাদের ভবিষ্যতের জন্য ভবিষ্যদ্বাণী করতে সহায়তা করবে – আমরা কখন পরিস্থিতির শীর্ষে পৌঁছে যাব । আমরা ফলাফলগুলি একটি উন্মুক্ত অ্যাক্সেস ডাটাবেজেও আপলোড করেছি এবং আশা করি ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারীরা এটি দেখতে এবং তাদের ভ্যাকসিনগুলিতে এটি অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হবে, “ডাঃ সেজুতি বলেছেন। বিজ্ঞানীরা সিকোয়েন্সিং প্রোটোকলটি সর্বজনীনও করেছেন এবং আশা করছেন যে দেশের অন্যান্য পরীক্ষাগারগুলি তাদের প্রশিক্ষণ দিবে এবং স্যাম্পেল সিকোয়েন্সিং শুরু করতে পারবে। ড. সমীর কুমার সাহা বলেন, করোনার জিনোম সিকোয়েন্সের ফলে যখন ভ্যাকসিন আসবে, তখন আমাদের সবচেয়ে উপকার হবে যে, কোন ভ্যাকসিনটা আমাদের জন্য কাজে লাগবে, কোনটা আমাদের কাজে লাগবে না সেটা আমরা বুঝতে পারবো। একইসঙ্গে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করা এবং এই ভাইরাস মোকাবিলায় পরিকল্পনা সাজানো আমাদের জন্য সহজ হবে।তারা মনে করছেন যে, জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ে প্রশিক্ষিত একটি দল প্রস্তুত থাকলে বাংলাদেশের পরবর্তী মহামারী প্রতিরোধ করতে পারবে।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com