1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৯:০৪ অপরাহ্ন

জীবন ও জীবিকার কৃত্রিম দ্ব’ন্দ দেশের মানুষের মাঝে কেনো তৈরি হলো

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

জীবন ও জীবিকার কৃত্রিম দ্ব’ন্দ তৈরি হলো কেন।যা আমাদের সচেতন নাগরিক হিসেবে জানা উচিত।আমাদের দেশে জীবন ও জীবিকার কৃত্রিম দ্ব’ন্দ শব্দটির সাথে আমরা খুব বেশি পরিচিত। কিন্তু কেনো হয় এদেশে এমন সমস্যা বা কারা সৃষ্টি করে এই সমস্যা যা আমাদের জানা দরকার।বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে কিছু উপসর্গ দেখা দিলেই উচিত করোনা পরিক্ষা করা। যা ঘরে বসে বেসরকারি ভাবে করতে খরচ পরে পাচ হাজার টাকা।অন্যদিকে সরকারি খরচ হিসেবে এক মাসে খরচ হিসেবে ২৫০০  টাকা ধরা হয়েছে মানে হচ্ছে একজন সামথ্যবান রোগীর দুই পরিবারের মাসিক খরচের পরিমান টাকা ব্যয় করতে হবে।

লকডাউনের পর থেকেই মানুষ কে জীবন ও জীবিকা দুইটার একটা ধরে বেছে নিতে হচ্ছে।আমরা যদি খাদ্য ও অর্থসহায়তা সঠিক সময়ে পৌচ্ছে দিতে পারতাম তাহলে এই কথাটি আসতো না।লকডাউন করার ফলে সব দেশের অর্থনীতি এক রকম হবে না।যুক্তরাষ্ট্রে লকডাউনের সুফল মোট জিডিপির ৫৮ শতাংশ অন্য দিকে বাংলাদেশে তা মাত্র ১৪ শতাংশ। সব দেশের জীবন ও জীবিকার মান সমান হতে পারে না।কারন উদাহরণ দিয়ে দেখানো যাক,সেফটি স্ট্যান্ডার   মেনে না চলা একটি কারখানায় জীবনের ঝুঁকি বেশি জেনেও যদি একজন বাংলাদেশের শ্রমিক কাজ করতে রাজি হন আর আমেরিকার শ্রমিক রাজি না হন তাহলে বাংলাদেশের শ্রমিকের জীবনের মূল্য  কম,আমেরিকার শ্রমিকের জীবনের মূল বেশি।অথচ দুই জনেরই সমান হওয়ার কথা ছিলো।

এদেশে বিভিন্ন সময় দেখা গেছে যে জিনিসটির চাহিদা বেশি থাকে সেই জিনিসটি স্টক করে রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকটের সৃষ্টি করে করতে দেখা যায়।সঠিক সময়ে মজুরি, অর্থসহায়তা, খাদ্য সহায়তা দিলে কৃত্রিম সংকট দেখা দিতো না।লকডাউন তুলে ফেলার পর মানুষকে কৃত্রিম এই সংকটে পরতে হতো না।এই সময়ে করোনার ঝুঁকি নিয়ে জীবিকা বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন।আজ করোনার মুখোমুখি দাড়িয়ে নিন্মবিত্তের জীবন বাজীকে ক্ষদ্র করে দেখা হচ্ছে তাদের এই মুখের কথাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।করোনার আগে ক্ষুধায় মরবে,না খেয়ে লকডাউন বা সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা সম্ভব নয় এই কথা বলছেন ভুক্তভুগীরা ।

দিনের পর দিন যখন এই দারিদ্র্য মানুষেরা বলেছেন,জীবন  যাপনের খরচের সাথে সামঞ্জস্য রেখে মজুরি দিতে তখন তাদের এই কথা বাস্তবিক মনে হয় নি। করোনার চেয়ে ক্ষুধা বড়,জীবনের চেয়ে জীবিকা বড়।এটাই হয়ে দারিয়েছে এখন আমাদের জীবন ব্যবস্থা ।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com