1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৮:২১ অপরাহ্ন

বাজারে ৩৫ শতাংশ কমে গেছে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের চাহিদা

  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২০
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে

বাজারে ৩৫ শতাংশ কমে গেছে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের চাহিদা। দেশে কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের বিভিন্ন খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে করোনাভাইরাস । তার মধ্যে অন্যতম একটি খাত হলো দুগ্ধ শিল্প। এ খাতের একটি কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু কথা বলেছেন। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর তা ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পরবর্তী সময়ে প্রথম আঘাতটি আসে দুগ্ধশিল্পে। সারা দেশে বন্ধ হয়ে যায় দোকানপাট, রেস্তোরাঁ, সামাজিক অনুষ্ঠানাদি। বিঘ্ন ঘটে সরবরাহ ব্যাবস্থায় ও। এর ফলে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের চাহিদা নেমে আসে অর্ধেকে । চাষি পর্যায়ে দুধ ফেলে দেওয়ার ঘটনাও দেখা যায়।

খামারিদের অনেকেই বড় কোম্পানির বাইরে দুধ সরবরাহ করে, বিভিন্ন মিষ্টিজাতীয় পণ্য উৎপাদনকারী ছোট ছোট প্রতিষ্ঠানকে। তারাই বিপাকে পড়েছিল সবচেয়ে বেশি। ওই সময় চার থেকে পাঁচ হাজার খামারির দুধ কেনা শুরু করা হয় ব্র্যাক ডেইরির পক্ষ থেকে চুক্তিভিত্তিক খামারিদের বাইরেও। দুই সপ্তাহ পর আবার দেখা গেল, তাদের পণ্যের বিক্রি কম হচ্ছে । প্রক্রিয়াকরণ সক্ষমতাও বেশি নয় তখনো । তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই চুক্তিভিত্তিক খামারিদের বাইরে অন্যদের দুধ কেনা বন্ধ করে দিতে হলো।চাহিদা কিছুটা বেড়েছে পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার পর । এর পর মিষ্টির দোকান, ছানার দোকান ইত্যাদি কিছু কিছু খুলেছে। এখন আর দুধ ফেলে দিতে হচ্ছে না। এছাড়াও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর দুধ বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছিল, যা খামারিদের অনেক সহায়তা করেছে । তবুও এখন দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের চাহিদা ৩০-৩৫ শতাংশ কম গত বছরের তুলনায়।

দেশে রয়েছেন তিন শ্রেণির খামারি। একাংশ শিক্ষিত ও তরুণ, যাঁরা বাণিজ্যিক খামার করেছেন। তাঁদের জন্য কঠিন হচ্ছে করোনার আঘাত কাটিয়ে ওঠা। তবে তাঁরা ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। তাঁরা সরকারের ঘোষিত তহবিল থেকে কম সুদের ঋণ পাবেন নিশ্চিত। খামারিদের আরেক অংশ কাজ করেন কৃষিকাজ বা অন্য কোনো কাজের পাশাপাশি গবাদিপশু পালনের। অন্য খাত থেকে আয় থাকায় এ শ্রেণিটি বড় সংকটে পড়বে না বলে আশা করা যায়।তবে সবচেয়ে বিপাকে পড়বে খামারিদের সেই অংশটি, যারা ছোট এবং খামারের বাইরে অন্য মাধ্যম থেকে কোনো আয় নেই যাদের। আবার সরকারের সহায়তা এদের হাতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে সম্ভাবনাও কম।আমাদের দেশে মোট উৎপাদিত দুধের মাত্র ৭ শতাংশ ব্র্যাক, মিল্ক ভিটা, প্রাণের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো প্রক্রিয়াজাত করে। চাহিদার বড় অংশই পূরণ হয় আমদানি করা গুঁড়া দুধ দিয়ে। বিদেশি গুঁড়া দুধের বাজার তিন গুণ বড় আমাদের দেশে।

খামারিদের তরল দুধ দিয়ে এক কেজি গুঁড়া দুধ তৈরিতে খরচ পড়ে ৪২০ টাকার মতো। আর নিউজিল্যান্ড থেকে ভালো মানের গুঁড়া দুধ আমদানি করলে তার খরচ পড়ে ৩৩০ টাকার মতো। ফলে উৎপাদিত গুড়া দুধ বাজারে স্থানীয়ভাবে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। সব মিলিয়ে দুগ্ধশিল্পে লাভ হচ্ছে না। এ কারণে দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে নতুন কোন বিনিয়োগ আসছে না। এর চেয়ে দুধ আমদানির ব্যবসা করা লাভজনক।অস্ট্রেলিয়া,কানাডা,আয়ারল্যান্ড,ডেনমার্ক,নিউজিল্যান্ড, কানাডার মতো দেশগুলোতে গাভি’প্রতি উৎপাদনশীলতা অনেক বেশি। দুগ্ধ খাতে ওই সব দেশে প্রচুর ভর্তুকি দেয়। এ জন্যে তারা কম দামে দুধ বিক্রি করতে পারে। আমাদের দেশে দুগ্ধশিল্পের উন্নতির জন্য বাড়াতে হবে উৎপাদনশীলতা। আর এইজন্য চাই ভালো জাতের গরু। একই সঙ্গে এ খাতকে সুরক্ষা দিতে প্রয়োজন সরকারের উদ্যোগ ।

দেশের তরুনদের জন্য মাংস ও দুধের জন্য গবাদিপশু পালন কর্মসংস্থানের একটি বড় উৎস হতে পারে। ভারত থেকে গরু আসা বন্ধ হওয়ার পর থেকে দেশে প্রচুর খামার হয়েছে এখন। তার বড় অংশের উদ্যোক্তা এদেশের তরুণেরা। এ জন্য সরকারকে নিতে হবে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা । দশ বছর মেয়াদি একটি পথনকশা তৈরি করে সে অনুসারে নীতি ঠিক করা যেতে পারে। আমাদের চাহিদা, দেশে উৎপাদন, আমদানি, এসবের যথাযথ পরিকল্পনা থাকতে হবে।দেশে আমদানি করা গুঁড়া দুধের একটা বড় অংশ অন্যান্য খাদ্যশিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই দুধ আমদানি কমলে শিশুরা খেতে পারবে না, এ যুক্তিও ঠিক না।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com