1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন

নিম্নবিত্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনে করোনার ক”রুন প্রভাব

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ১৫ জুন, ২০২০
  • ৩৩ বার দেখা হয়েছে

নিম্নবিত্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনে করোনার ক”রুন প্রভাব বিদ্যমান। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস, জনমনে যে অ’শান্তি সৃষ্টি করেছে তা আমাদের জন্য অনেক ক্ষ’তির কারণ। করো না পরবর্তী শিক্ষা জীবনে ও তার প্রভাব পড়বে ব্যাপকভাবে।বিশেষ করে নিম্নবিত্ত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়বে সবচেয়ে বেশি। করোনা পরবর্তী সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর নিম্নবিত্ত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়া কষ্টকর হবে।শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে টিউশন ফি সেমিস্টার ফি মওকুফ করলেও ঢাকায় অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন জায়গায় যে মিস ভাড়া নিয়েছিল সেগুলোর ভাড়া, কারেন্ট বিল অনেক বকেয়া পড়ে রয়েছে।

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষার্থী এখন নিজের খরচে চলে। এদের মধ্যে অধিকাংশই টিউশনি কিংবা পার্ট টাইম জব করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে।শহরে ফেরার পর তারা তাদের আগের কাজ ফিরে পাবে কি’না তা নিয়ে কোন নিশ্চয়তা নেই। দেশের অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদরা সরকারের প্রতি পরামর্শ দিয়েছেন যে, এসব শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত তাদেরকে শিক্ষাবৃত্তি ও বিনা জামানতে, বিনা সুদে শিক্ষা ঋণ দেওয়ার জন্য।পুরান ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর তথ্য নিয়ে দেখা যায় যে তাদের 18 হাজার শিক্ষার্থীদের প্রায় সবাই কোন না কোন কাজের সাথে যুক্ত আছে এবং তারা বিভিন্ন জায়গায় মেস ভাড়া করে থাকছে। অনেকে আবার নিজের খরচের পাশাপাশি গ্রামে থাকা পরিবারকে আর্থিক সহায়তা পাঠাতো।

এমতাবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের উপর চাপ কমালেও বাড়িওলারা তাদের ওপর চাপ কমায় নেই। শুধু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নয়, এই অবস্থা রাজধানীসহ গোটা বাংলাদেশের সকল অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য একি রূপ ধারণ করেছে।এই নিম্নবিত্ত শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনের নেমে আসছে কা’লো ছায়া। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ৩৯ হাজার। বিশ্ববিদ্যালয়ের আঠারোটি হলের তিন পঞ্চমাংশ মানুষ বাস করে হলে।এর বাইরের অনেক মানুষ থাকেন বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে কিংবা মেসে সিট ভাড়া করে। এছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেমন ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, বাংলা কলেজ , কবি নজরুল সরকারি কলেজ সহ আরও বিভিন্ন কলেজের লক্ষাধীক শিক্ষার্থীরা একই রকম মেস ভাড়া করে থাকেন। নিজের খরচ নিজেই চালান। দেশের এই করুণ পরিস্থিতিতে তাদের আগের কাজ ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম।

এম এম আকাশ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মতামত ব্যক্ত করেন যে, করোনা সংকট মোকাবিলায় সামাজিক সুরক্ষায় বর্ধিত বাজেটে ব্যয় করা হবে।সামাজিক সুরক্ষার এই টার্গেট গ্রুপে রয়েছে শ্রমিক-কৃষক, দরিদ্র লোক। এই টার্গেট গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত আছে নিম্নবিত্ত শিক্ষার্থীরাও। যারা নিজের খরচে নিজে পড়াশোনা করে। এই শিক্ষার্থীদের বিনা সুদে বিনা জামানতে ঋণ দিতে হবে।ঋণ নেয়ার জন্য তাদের কাছ থেকে কোন কিছু রাখা হবে না কিংবা তাদের কোনো চাপ দেওয়া হবে না। তবে তাদের কোন একটি সার্টিফিকেট জমা নেওয়া হতে পারে।

সরকার যেমন মাসিক ২৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে দরিদ্র পরিবারকে তেমনি ভাবে এই অসচ্ছল শিক্ষার্থীদেরও বিনা সুদে সরকার শিক্ষা ঋণ বিতরণ করতে পারেন। কমপক্ষে ৩-৪ মাস যদি এই আর্থিক সহায়তা প্রদান করা যায়, শিক্ষার্থীরা অনেক লাভবান হবেন।ডক্টর আইনুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক তার মন্তব্যে প্রকাশ করেন যে, ঢাকা শহরের অনেক শিক্ষার্থীরা নিজের খরচের পাশাপাশি তাদের পরিবারকেও সহায়তা করে থাকেন। করোনা পরিস্থিতির কারণে পার্ট টাইম জব টিউশনি সব পথ বন্ধ।এ সময় তাদের সরকারের সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন। তিনি মনে করেন সরকার এক্ষেত্রে তাদের বিনা সুদে শিক্ষা ঋণ দিতে পারেন।গোলাম ফারুক সরকার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক বলেন যে, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের কান্ডারী। তাদের পড়াশোনা যেন কোনোভাবেই থেমে না যায়। সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে এসব নিম্নবিত্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার জন্য।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com