1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন

থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে যা সকলের জানা জরুরি

  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০
  • ২৩ বার দেখা হয়েছে

থ্যালাসেমিয়া (Thalassemia) একটি বংশগত রোগের নাম।  হিমোগ্লোবিন র’ক্তের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। আমরা নিঃশ্বাস এর সাথে অক্সিজেন বহন করি, হিমোগ্লোবিন এর কাজ হলো তা শরীরের সমস্ত অংশে বহন করে নিয়ে যাওয়া। এই রোগ হলে র’ক্তে অক্সিজেন পরিবহনকারী এই হিমোগ্লোবিন এর কণার উৎপাদনে ত্রুটি হয়। হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় দুটি আলফা প্রোটিন ও দুটি বিটা প্রোটিন দিয়ে। যদি এই প্রোটিন দুটির উৎপাদন শরীরে কম হয় তাহলে হিমোগ্লোবিন এর উৎপাদনও কমে যায় এবং থ্যালাসেমিয়া রোগ দেখা দেয়।কেউ যখন কোনো ত্রুটিপূর্ণ জীন তার বাবা মায়ের কাছ থেকে বংশানুক্রমে পায়, তখনই মূলত থ্যালাসেমিয়া দেখা দেয়। সুতরাং থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রোগ। এর ফলে রক্ত’শূন্যতা দেখা দিতে পারে। এ রোগ ধারনকারী মানুষ সাধারণত র’ক্তে অক্সিজেন স্বল্পতা বা অ্যানিমিয়ার ফলে অবসাদগ্রস্ততা থেকে শুরু করে অঙ্গ’হানি পর্যন্ত ঘটতে পারে। 

থ্যালাসেমিয়া হলে সাধারণত যেসব লক্ষন ও উপসর্গ গুলো দেখা যায় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ।অবসাদ অনুভব, দূর্বলতা,   শ্বাসকষ্ট, মুখমন্ডল ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া,অস্বস্তি, ত্বকে হলদে হয়ে যাওয়া (জন্ডিস), মুখের হাঁড়ে বিকৃতি,ধীর গতিতে শারিরীক বৃদ্ধি,গাঢ় রঙের প্রস্রাব,পেট বাইরের দিকে প্রসারিত হওয়া।শরীরে যদি কারো অ্যানিমিয়া বা র’ক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম থাকে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী র’ক্তের পরীক্ষা করিয়ে নিশ্চিত হতে হবে যে এটা থ্যালাসেমিয়া কিনা।যদি থ্যালাসেমিয়া হয়ে থাকে সেটি স্বল্প নাকি মেজর সেটাও নিশ্চিত হতে হবে। এর উপর ভিত্তি করে চিকিৎসকেরা এর চিকিৎসার ব্যপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। থ্যালাসেমিয়া মাইনর বা বাহক সনাক্ত’করণের জন্য যে রক্ত পরীক্ষা সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য তাকে বলা হয় “হিমোগ্লোবিন ইলেক্ট্রোফোরেসিস।পরীক্ষার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই ধারনা করা সম্ভব কারো থ্যালাসেমিয়া মাইনর হবার আশঙ্কা আছে কিনা। তাই বিয়ের আগে পাত্র ও পাত্রী উভয়কেই থ্যালাসেমিয়ার বাহক কিনা সেটি পরীক্ষা করাতে হবে। বিয়ের পর যদি জানা যায়, কারো থ্যালাসেমিয়া মাইনর রয়েছে তাহলে চিকিৎসক এর পরামর্শ নিতে হবে। এতে করে সন্তানের থ্যালাসেমিয়া হলে কি করণীয় তা জানা যাবে। 

থ্যালাসেমিয়া মেজর হলে ক্রমাগত প্রতি মাসে র’ক্ত দিতে হয়। প্রতি ব্যাগ র’ক্তের সঙ্গে শরীরে জমা হয় আয়রন। ঘরে বসে কিভাবে প্রতি রাতে আয়রন চিলেশন করা যায় সেটি শিখে নিতে হবে। তাহলে ক্রমাগত র’ক্ত গ্রহনের ফলে ত্বকে বা অন্যান্য অঙ্গে আয়রন জমা হয়ে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারবে না। পরবর্তীতে অস্থিমজ্জা পরিবর্তন ও জেনেটিক কাউন্সেলিং করাতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া আয়রনযুক্ত ওষুধ, ভিটামিন বা অন্য জাতীয় ওষুধ খাওয়া যাবে না। সুষম ও পুষ্টিকর খাবার বিশেষ করে ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। সংক্রমণ এড়াতে বার বার সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের থেকে দূরে থাকতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com