1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন

১০০ কোটির বেশি মানুষ চরম দারিদ্রের স্বীকার হবে

  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ১৩ জুন, ২০২০
  • ৩৯ বার দেখা হয়েছে

১০০ কোটির বেশি মানুষ চরম দারিদ্র্যতার স্বীকার হবে।করোনা ভাইরাস পুরো বিশ্বে মাতব চালাচ্ছে।বিশ্ববাসী কবে এর থেকে মুক্তি পাবে জানা নেই।প্রতিনিয়ত মৃ’ত্যুর খবর,আক্রা’ন্তের খবর।রোজ রোজ একই কথা শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ প্রায়।এটি আমাদের রোজকার নিয়মে যেনো পরিণত হয়েছে।এই ভাইরাসটি যদি নির্মূল করা সম্ভবও হয় এর প্রভাব থেকে বিশ্ববাসী খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পাবে বলে মনে হয়না।এই ভাইরাসের কারণে পুরো বিশ্বে অর্থনীতি দারুণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে,হবে।গবেষণা বলছে ১০০ কোটির বেশি মানুষ চরম দারিদ্র্যতার স্বীকার হবে।জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ওয়ার্ল্ড ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিকস রিসার্চ বা ইউএনইউ ওয়াইডার সম্প্রতি একটি গবেষণা চালিয়েছেন।

আর এই গবেষণায় মানদণ্ড হিসেবে নেওয়া হয়েছে বিশ্ব ব্যাংকের নানা মাত্রার দারিদ্র্যের সীমারেখা।৩৯ কোটি মানুষ অতিদারিদ্রের মধ্যে পড়বে করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দার ফলে।বিশ্বব্যাংক সাধারণত দৈনিক আয়ের দিক থেকে যারা ১.৯০ মার্কিন ডলারের নীচে আয় করে তাদেরকে অতিদারিদ্রের অন্তর্ভুক্ত করে।ইউএনইউ এর ওই গবেষণায় প্রমাণিত হয় দৈনিক ১.৯০ মার্কিন ডলারের কম আয় করা লোকের সংখ্যা ছাড়াবে ১১০ কোটি।তার মানে অতিদারিদ্রের স্বীকার হবে ১১০ কোটি মানুষ।গত ১২ই জুন সংস্থাটির প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে এমন চিত্রই উঠে আসে।

বিশ্বব্যাংকের মতে দৈনিক আয় যদি ৫.৫ মার্কিন ডলার বা তার সমমান হয় তাহলে সেটা হবে দারিদ্র্য সীমার উচ্চস্তর।এই সমস্ত মানদণ্ডকে সামনে রেখেই ইউএনইউ আশংকা করেছেন করোনা ভাইরাসের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দার জন্য বিশ্ব কিছু সংকটকালীন মূহুর্তের সম্মুখীন হবে।এরমধ্যে সবচেয়ে খারাপ যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে তা হলো পুরো বিশ্বের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাথাপিছু আয় কমবে প্রায় ২০ শতাংশ।এনডিটিভির এক সূত্র থেকে জানা যায় এই দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাথাপিছু আয় কমে যাওয়াতে চরম দারিদ্র্যে নিপতিত হবে ১১২ কোটি মানুষ।এই চিত্র যে শুধু নিম্ন আয়ের দেশের জন্য তা নয় এই একই চিত্র উচ্চ ও মধ্য আয়ের দেশের জন্যও।এমনকি উচ্চ ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে যদি দৈনিক পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ ডলার আয়কারীদের উপার্জন আরো কমে যায় তাহলে উচ্চ ও মধ্য আয়ের দেশের প্রায় ৩৭০ কোটি মানুষ চরম দারিদ্র্য সীমায় চলে যাবে।যা পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেককে নির্দেশ করে।

প্রতিবেদনে যে একেবারে ভুল কিছু বা আকাশ কুসুম কিছু নির্দেশ করেছে তা ঠিক না।বর্তমান পরিস্থিতি,আসন্ন পরিস্থিতি তাই নির্দেশ করে।আর এই প্রসঙ্গে প্রতিবেদটির অন্যতম লেখক অ্যান্ডি সামার জানান,’বিশ্বের জন্য দরিদ্রের এমন পূর্বাভাস খুবই আশংকাজনক পরিস্থিতি নির্দেশ করে।বিশ্বের সকল দেশের সরকার আরও দ্রুতগতিতে এবং ব্যাপক আকারে যদি আয় কমে যাওয়া দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে এসে না দাড়ায় তাহলে এ অবস্থা থেকে তো পরিত্রাণ পাওয়াই যাবেনা উল্টো অবস্থা আরও আশংকাজনক পর্যায়ে দাঁড়াবে।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com