1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন

করোনা রুগীর প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টি দেওয়া যাবেনা

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ১৩ মে, ২০২০
  • ৪৭ বার দেখা হয়েছে

করোনা মহামারীর সময় শুরু থেকেই একটা কাঠামোর মধ্যে আটকে গেছে পুরো বিশ্ববাসি।  একদিকে আছে রোগাক্রান্ত ব্যাক্তি অন্য দিকে আছে একদল সৈনিক যারা প্রকৃতি এই পরিক্ষায় ফ্রন্ট লাইন এ দাঁড়িয়ে আছে।শুধুমাত্র রোগাক্রান্ত ব্যাক্তির সাহায্যে। পার্থিব সমৃদ্ধির ঊর্ধ্বে,আর্থিক সুখের উল্লাস ভুলে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন  সেইসব ডাক্তার ও অনন্য  সেবাকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা। এর একটা বিপরীত চিত্র ও আছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশে করোনা রোগি ও সেবা প্রদানকারি কর্মকর্তাদের প্রতিসাধারণ মানুষের রয়েছে  নেতিবাচক দৃষ্টি।যা খুবই অপ্রত্যাশিত সত্য।বাংলাদেশে করোনা রোগি সনাক্ত  হওয়ার পর  এমন অনেক গুলো ঘটনা ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। চিকিৎসা কেন্দ্রের অবস্থান নিয়ে স্থানীয় জনগণের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছিল। এর ই ধারাবাহিকতায় রোগিদের প্রতি ও তাদের পরিবারের লোকজনদের প্রতি ও অমানবিক আচরন করছেন প্রতিবেশীরা।

এমনকি সুস্থ হওয়ার পরেও তারা নেতিবাচক দৃষ্টিভংগির শিকার হচ্ছেন। ভাইরাসটি যেহেতু সংক্রামক তাই সমাজের মধ্যে নেতিবাচক দৃষ্টিভংগি বিরাজমান। মৃত্যুর পরেও লাশের শেষকৃতি নিয়ে হতে হচ্ছে বাধার মুখোমুখি। স্থানীয় লোকজন জানাযা ও কবরস্থানে মৃতদের দাফন কাজে দলীয় ভাবে বাধা দিচ্ছে।বিশ্বে মহামারীতে রূপ নেয়া এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য সবচেয়ে বেশি জরুরি পরিবার ও সমাজের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সাহস জোগানো, যা রোগীকে দ্রুত সুস্থ করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা রাখে- এমন মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের।তাদের মতে, আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনায় আক্রান্ত অথবা সন্দেহভাজনদের প্রয়োজনীয় সেবা দিতে কোনো সমস্যা নেই। আর করোনায় আক্রান্ত হওয়া মানেই অবধারিত মৃত্যু নয় এবং আক্রান্তের বেশির ভাগই সুস্থ হয়ে উঠছেন।

এ বিষয়টি অনুধাবন করে আক্রান্ত ব্যক্তি ও তার পরিবারের প্রতি মানবিক হতে হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে করোনায় আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তি ও মৃতদের দাফনে নানা অবজ্ঞার কথা উঠে এসেছে।পাশাপাশি পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আক্রান্ত হওয়া ‘সম্মুখভাগের করোনা যোদ্ধাদেরও’ পড়তে হচ্ছে নানা হয়রানির মুখে। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় বাড়িতে ঢুকতে না দেয়া, আক্রান্তের গুজব ছড়িয়ে বাড়িতে হামলা, এমনকি নমুনা সংগ্রহ করতে আসা টিমকেও এলাকায় প্রবেশে বাধা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। । এসব ঘটনার অধিকাংশই অজ্ঞতা এবং অযথা ভয় থেকে হচ্ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।স্বাস্থ্যবিধি মেনে সর্বোচ্চ সতর্ক হয়ে চলতে হবে।করোনায় আক্রান্তদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ অপ্রত্যাশিত। যারা আক্রান্ত হচ্ছেন, তারা তো বাইরের কেউ নয়, আমাদেরই কেউ। এ সময়টাতে তাদের প্রতি মানবিক আচরণ করতে হবে। আতঙ্কিত হলে চলবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সর্বোচ্চ সতর্ক হয়ে চলতে হবে। বিশ্বে ৪০ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে; যার মধ্যে ১২-১৩ লাখ পুরোপুরি সুস্থ হয়েছেন। অনেকেই হাসপাতালে না গিয়ে সেরে উঠছেন। করোনায় আক্রান্ত হওয়া মানেই অবধারিত মৃত্যু নয়- এ বিষয়টির অনুধাবন জরুরি।

যারা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন, তাদের যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনেই সৎকার করা হচ্ছে। মৃতদেহগুলো জীবাণুমুক্ত করে প্লাস্টিকের কভারে ঢুকিয়ে দাফন করা হচ্ছে। এতে ভাইরাস ছড়ানোর সুযোগ নেই।নারায়ণগঞ্জে করোনা রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হন জেলা সিভিল সার্জন অফিসের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শিল্পী আক্তার।  এলাকাবাসী দলবলে গিয়ে ওই বাড়িতে ইটপাটকেল ছোড়া শুরু করেন।বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করা হয় বাড়ির লোকজনকে। বাধা দেয়া হয় করোনার নমুনা সংগ্রহ করতে আসা অ্যাম্বুলেন্সকেও। পরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক ‘হ্যান্ড মাইকে’ দীর্ঘক্ষণ কথা বলে সেনা সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।এ জেলায় ৭ এপ্রিল জ্বর-শ্বাসকষ্ট নিয়ে মৃত্যুর পর গিটারিস্ট হিরু লিসানের লাশ ৯ ঘণ্টা বাড়ির সামনে পড়েছিল। কিন্তু কেউ কাছে আসেনি। এমন অসংখ্য ঘটনা রয়েছে করোনা সংক্রমণের শীর্ষ জেলাগুলোর অন্যতম নারায়ণগঞ্জে।

এছাড়াও করোনা সন্দেহে সন্তানরা মা কে জঙ্গলে ফেলে আসার মত নিষ্ঠুর আচরণ করতে ও দেখা গেছে।
সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. নেহাল করিম বলেন, দুটো কারণে করোনায় আক্রান্তদের বিষয়ে এমন মনোভাব তৈরি হচ্ছে।একটি হল- মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। কারণ করোনার বিষয়টি এমনভাবে প্রচার হয়েছে, যাতে সবাই ভয় পেয়ে গেছে। আরেকটি হল- মানবিক মূল্যবোধ নেই বললেই চলে।আমরা স্বার্থপর হয়ে উঠেছি। যেটি উচিত নয়। তিনি বলেন, আজ যদি আমার পরিবারের কেউ আক্রান্ত হয়ে যায়, আমার সঙ্গে এমন আচরণ হয়, তাহলে আমি কী করব। আমি কি তাকে ছেড়ে যাব? এ বিষয়টি ভাবা উচিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এক ভিডিও তে দেখা যায়  করোনার উৎপত্তিস্থল চীনে ও অনেক সুস্থ হয়ে যাওয়া রোগিদের দেখা যায় তারা অন্যদের সাথে সাভাবিকভাবে মিশতে পারছেন না।

কারন তাদের সবাই নেতিবাচকভাবে দেখে এবং নেতিবাচক  কথা বলে । ফলে তারা সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পরিচয় গোপন করে।   এছাড়াও কোরিয়া সহ বিভিন্ন দেশে এই রকম ঘটনা ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব।  মানুষ বললেই বুঝি মানবিক। কিন্তু এখন আমরা সেই পরিচয় হারিয়েছি। এই মহামারির পর্যায়ে এসে এখন একটা ই কামনা আমরা মানবিক হয়ে উঠি।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com