1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষক ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২০
  • ৩১ বার দেখা হয়েছে

না ফেরার জগতে চলে গেলেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪মে) রাতে তিনি ৮৩ বছর বয়সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আনিসুজ্জামান ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, অবিভক্ত ভারতের পশ্চিম বঙ্গের চব্বিশ পরগণা জেলায় বসিরহাটে জন্মগ্রহণ করেন।দেশ বিভক্ত হওয়ার পর তিনি পরিবার এর সাথে বাংলাদেশে চলে আসেন । আনিসুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে  অধ্যয়ন শেষ করে কৃতী শিক্ষার্থী হিসেবে অধ্যাপনা শুরু করেন।তিনি ঢাবি ও চবির কৃতী শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে গিয়ে বাংলা দেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে কাজ করেন।সর্বশেষ তিনি বাংলা একাডেমি সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ড.আনিসুজ্জামান ভাষা আন্দোলন (১৯৫২),উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান (১৯৬৯),ও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে (১৯৭১)তে অংশ নেন।বাংলাদেশের এমন কোনো সংগ্রামী আন্দোলন নেই যেখানে তিনি অংশ নেন নি।তাছাড়াও বাংলাদেশে স্বাধীনতা পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে ড.কুদরাত-এ-খুদাকে প্রধান করে গঠিত জাতীয় শিক্ষা কমিশনের সদস্য ছিলেন।তাঁর ৪০ টিরও বেশি গ্রন্থ রয়েছে। তাঁর সর্বশেষ গবেষণা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। 

শিক্ষাবিদ,লেখক, গবেষক আনিসুজ্জামান শিক্ষা ও সাহিত্যের অবদানের জন্য পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার।এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-১৯৭০ সালে তিনি প্রবন্ধ গবেষণায় অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি থেকে প্রদত্ত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।১৯৮৫ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করা হয় বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক।২০১৫ সালে তিনি সাহিত্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়ে।২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়।

এছাড়াও  ২০০৫ সালে রবীন্দ্র ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিলিট ডিগ্রি, ১৯৯৩ ও ২০১৭ সালে দুইবার ভারতীয় আনন্দবাজার পত্রিকা কর্তৃক প্রদত্ত আনন্দ পুরস্কারর এবং ২০১৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিনী পদক লাভ করেন।বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ড.আনিসুজ্জামান এর ছাত্রী ছিলেন। জাতীয় অধ্যাপক ড.আনিসুজ্জামানের অবদান এদেশের মানুষ কখনোই ভুলতে পারবে না।বাঙ্গালী  হারিয়ে ফেললো বাংলাদেশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রকে।দীর্ঘ ৬ দশক ধরে তিনি এদেশের মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে বাঙ্গালী হারালো এদেশের একজন সূর্যসন্তানকে।তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ হারলো একজন অভিভাবককে, হারালো একজন অলোকবর্তীকাকে ।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com