1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার গুরুত্ব ও ফযিলত

  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার গুরুত্ব ও ফযিলত।রমজান মাসে এক মাস রোযা রাখার পর আসে শাওয়াল মাস। আর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখা সুন্নাত ও মুস্তাহাব।ইসলামে রমজান মাসে রোজা রাখার পির শাওয়াল মাসের এই ছয়টি রোজা রাখার বিধান রয়েছে। এ সম্পর্কে হাদিসে বর্ণিত আছে,আবু আইয়ুব (রঃ) হতে বর্ণিত হাদিসে এসেছে রাসূল (সঃ) বলেছেন; “যে ব্যাক্তি রমজানের রোজা রাখলো এরপর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখলো,সে যেনো গোটা বছর রোজা রাখলো।”(সহিহ মুসলিম,সুনানে আবু দাউদ)।

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার অনেক গুরুত্ব ও ফযিলত আছে।এই রোজার ফযিলত সম্পর্কে রাসুল (সঃ) হাদিসে বলেছেন;”যারা মাহে রমজানের ফরজ রোজা রাখবে,অতঃপর মাহে শাওয়ালের ছয় রোজা রাখবে তারা সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব অর্জন করবে।”পবিত্র কুরআনের সূরা আন-আমের ১৬০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে;”যে লোক একটি নেক কর্ম আঞ্জাম দিবে সে লোক দশ গুণ বেশি সওয়াব পাবে।”সে হিসেবে রমজানের ত্রিশ রোজায় তিনশত রোজার সওয়াব পাওয়া যায়।আর শাওয়াল মাসের ছয় রোজায় ষাটটি রোজার সওয়াব পাওয়া যায়।এভাবে রমজানের ৩০ রোজা ও শাওয়াল মাসের ছয় রোজায় ৩৬ টি রোজা হয় যাকে দশ দিয়ে গুণ করলে হয় ৩৬০ রোজার সমান।সুতরাং এই ৩৬ টি রোজায় সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যায়।

তাছাড়াও শাওয়াল মাসের রোজা রাখার আরো অনেক ভালো দিক আছে।রমজান মাসে অবহেলার কারণে বা গুণাহর কারণে বা অন্য যে কোন কারণে রোজার উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে থাকলে তা পুষিয়ে নেওয়া যায় এই ছয় রোজা দ্বারা।কেয়ামতের দিন ফরজ আমলের কমতি থাকলে তা নফল আমল দিয়ে পূরণ করা হবে।নবী কারিম (সঃ) এ নিয়ে বলেছেন;”আমাদের রব ফেরেশতাদেরকে বলেন অথচ তিনি সবকিছু জানেন-তোমরা আমার বান্দার নামাজ দেখো;সেকি পূর্ণভাবে নামাজ আদায় করেছে নাকি নামাজে ঘাটতি আছে।যদি পূর্ণভাবে আদায় করে থাকে তাহলে পূর্ণ নামাজ লিখা হয়।আর যদি কিছু ঘাটতি থাকে তখন বলেন;দেখো আমার বান্দার কোন নফল নামাজ আছে কিনা?যদি নফল নামাজ থাকে তখন বলেন;নফল নামাজ দিয়ে বান্দার ফরজের ঘাটতি পূরণ কর।

নবী কারিম (সঃ) আরো একটি বর্ণনায় বলেছেন;”আল্লাহ তায়ালা শাওয়াল মাসের ছয় দিনে আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন।সুতরাং যে ব্যাক্তি ওই ছয় দিন রোজা রাখবে আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেক সৃষ্টি জীবের সংখ্যা হিসেবে তার আমলনামায় নেকি লিখে দেবেন সমপরিমাণ গুনাহ দূর করে দেবেন এবং পরকালে তার দরজা বুলন্দ করে দেবেন।”শাওয়াল মাসের ছয় রোজার গুরুত্ব অনেক।এই ছয় রোজা ফরজ নামাজের পর সুন্নাতে মুআক্কাদার মতো।রমজান মাসের রোজায় যদি কোন অসম্পূর্ণতা বা ত্রুটি থাকে তা দূর করে শাওয়াল মাসের ছয় রোজা।ঈদের পরের ছয় দিন শাওয়াল মাসের ছয় রোজা রাখার উত্তম সময়।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com