1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন

সিজারিয়ান সম্পর্কে ইসলামের কি বলে জেনে নিন

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০
  • ২৪ বার দেখা হয়েছে

সিজারিয়ান সম্পর্কে ইসলামের কিছু মতবাদ আছে।আর এসব মতবাদ বা ব্যাখ্যা না জেনেই আমরা সিজার করে থাকি।আবার অনেকে প্রসবকালীন বেদনা সহ্য করতে পারে না বলে অপারেশন করে থাকে।তবে এই কাজটি ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে কতটুকু জায়েজ,তা আমাদের সকলের জানা দরকার।সন্তান প্রসবকালীন সময় যদি মা ও সন্তানের জীবনে ঝুঁকি থাকে তবে সিজার করতে কেনো সমস্যা নেই।অর্থাৎ যখন বাচ্চা বা মায়ের জীবননাশের বা বড় কোনো ক্ষতির আশঙ্কা হয় এবং কোনো বিজ্ঞ চিকিৎসক সিজার করতে বলেন,তখন সিজার করানো যাবে।তবে যদি নরমাল ডেলিভারি করানো সম্ভব হয় তাহলে সিজার করা ইসলামে জায়েজ নয়।আর যদি কোনো চিকিৎসক বা প্রতিষ্ঠান তাদের স্বার্থে সিজার করাতে বাধ্য হন তাহলে তারা গুনাহগার হবেন।আর যদি কোনো গর্ভবতী নারী প্রসব বেদনা সহ্যের ভ’য়ে সেচ্ছায় সিজার করাতে চায় তাও ইসলামে জায়েজ হবে না।কারণ সিজারের মধ্যে ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে কিছু নিষিদ্ধ দিক আছে।

১.ইসলামে নিজ শরীরের ক্ষতি করার কথা না বলা হয়েছে।আর সিজারের মাধ্যমে নিজ শরীরের ক্ষতি করা হয়।পবিত্র কোরআনে আছে,’তোমরা নিজেদের ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়ো না।'(সূরা:বাকারা,আয়াত:১৯৫)। যারা সিজার করে বাচ্চা জন্ম দিয়েছেন তারাই ভালো বলতে পারবে এটা কতটা কষ্টের।সারা জীবন এই অপারেশনের বোঝা বেয়ে বেড়াতে হয়।কোনো কাজ করা যায় না।এমনকি তিনটি অপারেশনের পর পেটে আর কোনো অপারেশন করতে গেলে অনেক বড় ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হয়।২.প্রথম বাচ্চা সিজারের মাধ্যমে হলে এরপরেও সিজার করিয়ে বাচ্চা জন্ম দিতে হবে।আর সিজারে তিনটির বেশি সন্তান ধারণ করা মানে পঙ্গুত্ববরণ করা।এজন্য মানুষ এখন দু’টির বেশি সন্তান ধারণ করে না।কিন্তু রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন,’তোমরা ভালোবাসাপ্রবণ ও অধিক সন্তান জন্মদানে সক্ষম নারীকে বিবাহ করো।কেননা আমি কিয়ামতের দিন উম্মতের আধিক্য নিয়ে গর্ব করবো।'(আবু দাউদ,হাদিস:২০৫০)।৩.ইসলামে বলা হয়েছে নারীদের সর্বদা পর্দার আড়ালে থাকতে।তাই সতর ঢেকে চলার হুকুম দেওয়া হয়েছে।কিন্তু সিজারের মাধ্যমে বিনা প্রয়োজনে পুরুষ চিকিৎসা নারীদের গোপন অঙ্গ দেখে থাকে।

মূল অপারেশন মহিলা ডাক্তার করলেও সাধারণত অ্যানেসথেসিয়া বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পুরুষ চিকিৎসক করে থাকেন।যা ইসলামে হারাম।তাই  একদম অপারগ না হলে সিজার না করে নরমাল ডেলিভারি করার চেষ্টা করতে হবে।৪.সিজার করলে দেহের যেমন ক্ষতি হয় ঠিক তেমনি অর্থের অপচয়ও হয়।এ প্রসঙ্গে কোরআনে আছে,’তোমরা অপচয় করো ন।নিশ্চয়ই অপচয়কারীকে শয়তানের ভাই বলা হয়।আর শয়তান তার রবের সঙ্গে কুফুরি করছিল।সর্বোপরি বলা যায়,সিজারিয়ানের মাধ্যমে মুসলিম দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে কফিরদের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের সহযোগিতা করা হচ্ছে।যেখানে বিশ্বের অন্যান্য দেশে সিজারকে না বলা হয়েছে,তারা নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে বাচ্চা প্রসব করাচ্ছে।সেখানে আমাদের দেশে সিজার ছাড়া বাচ্চা প্রসব করা অসম্ভব হয়ে উঠেছে।যা খুবই লজ্জাজনক।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com