1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন

সুদ সম্পর্কে যা বলেছেন মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)

  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২০
  • ৯ বার দেখা হয়েছে

সুদ বিলোপ সম্পর্কে মহানবী (স.) অনেক মতবাদ ব্যক্ত করেছেন।কারণ ইসলামি বিধান অনুসারে সুদ অত্যন্ত ঘৃণিত কাজ।সুদ ব্যবসাকে ইসলামে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে।এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ ইরশাদ করেন,’সুদ রক্ষণকারীরা এমনভাবে (কবর থেকে) দাঁড়াবে যেন সে শয়তানের স্পর্শে উন্মাদ হয়েছে।কারণ তারা বলে বেড়ায় সুদ তো ব্যবসায়ের মতে অথচ আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।'(সূরা:বাকারা,আয়াত:২৭০)।সুদ ব্যবসার প্রচলন শুরু হয় জাহেলি যুগ থেকে।ওই যুগের মানুষ অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জন করে জীবিকা নির্বাহ করতো।জাহেলি যুগে মক্কা ও তায়েফ নগরীতে যেভাবে সুদ লেনদেন করা হতো তা উপস্থাপন করা হলো।

মক্কায় ইহুদিদের মাধ্যমে আরবে সুদের লেনদেন করা হতো।সে সময়ে সবচেয়ে প্রচলিত পন্থা ছিল ঋণ পরিশোধে বিলম্ব হলে সুদের হার বাড়তে থাকা।তখন সমাজের অনেকেই এই কারবারের সাথে যুক্ত থাকতো।কিন্তু সুদি কারবারকে সমাজ কখনো ভালে চোখে দেখতো না।তৎকালীন আরবে তায়েফ ছিল সুদ লেনদেনের অন্যতম স্থান।সেখানে সবচেয়ে বেশি সুদের লেনদেন করা হতো।তায়েফের সাকিফ গোত্রের বনু আমর সুদের ভিত্তিতে বনু মাখজুমকে ঋণ দিত।ইসলাম গ্রহণের পর বনু মাখজুম তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।তখন মক্কার গভর্নর আততাব বিন উমাইদ (রা.) এর কাছে বিচারের জন্য যায়।মহানবী (স.) যখন এই বিষয়ে অবগত হন তখন তিনি তাদের বিশাল অঙ্কের সুদ রহিত করে পত্রযোগে সূরা বাকারার ২৭৮ ও ২৭৯ নম্বর আয়াত  লিখে পাঠান।আরবের ইহুদিরাই মূলত সুদ ব্যবসা  ও লেনদেনের সাথে বেশি জড়িত ছিল।তাদের জন্য এই ব্যবসাকে নিষিদ্ধ করার পরও তারা এতে লিপ্ত ছিল।

সুদ একটি সামাজিক ব্যাধি।যা সমাজকে কুলষিত করে দিচ্ছে।আর তাই মহানবী (স.) সুদ পরিহারের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।সুদ গ্রহণের ফলে ইসলামে যে কঠিন শাস্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে সে শাস্তিসমূহ মহানবী (স.) পৃথিবীর মানুষের কাছে তুলে ধরেন।যেনো তারা সুদ গ্রহণ ও এর লেনদেন থেকে বিরত থাকে।এ প্রসঙ্গে সামুক বিন জুনদুব (রা.) থেকে বর্ণিত,রাসূল (স.) বলেছেন,একরাতে দুজন লোক আমাকে পবিত্র ভূমিতে নিয়ে গেল।আমরা হাঁটতে হাঁটতে এক র’ক্ত নদীর তীরে আসি।সেখানে দেখতে পাই নদীতে এক লোক দাঁড়িয়ে আছে আর একজন নদীর পাড়ে।তার পাশে অনেকগুলো পাথর।নদীতে থাকা লোকটি কিনারে আসতে চাইলে পাড়ের লোকটি তাকে পাথর নিক্ষেপ করে।লোকটি আবার আগের স্থানে চলে যায়।যতবারই লোকটি নদী থেকে বের হতে চায় ততবারই তাকে পাথর নিক্ষেপ করে আগের স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। 

এ অবস্থা দেখে আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম,এটা কে? সে উত্তরে বলল,নদীতে যাকে দেখছেন সে সুদখোর।আর তাকে তার পাপের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।(হাদিস:১৩৩১)।মহানবী (স.) বিদায় হজ্জের ভাষনেও সুদের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনা করেন।তিনি বিশ্ববাসীর সামনে বলেন,’শুনে রাখো,জাহেলি যুগের সবরকম সুদ আজ থেকে রহিত করা হলো।সর্বপ্রথম আমি আমাদের আব্বাস বিন আবদুল মুত্তালিবের পাওনা সুদ রহিত করছি।যারা সুদের লেনদেনে জড়িত ছিলে তারা শুধু মূলধন পাবে।তোমরা অন্যদের ওপর জুলুম করো না।তাহলে তোমাদের ওপরও জুলুম করা হবে না।'(সুনানে আবু দাউদ,হাদিস:৩৩১৮)। যারা সুদ নেয় ও সুদ দেয় ইসলামি বিধানে তারা দু’জনেই সমান অপরাধী।তাই সুদ ব্যবসা থেকে সকলকে বিরত থাকতে হবে।সৎ উপায়ে অর্থ উপার্জন করে জীবিকা নির্বাহের আপ্রাণ চেষ্টা করতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com