1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন

তাহাজ্জুদের নামাজের নিয়ম ও ফজিলত যেভাবে দোয়া হবে কবুল

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ১৫ জুন, ২০২০
  • ৪০ বার দেখা হয়েছে

তাহাজ্জুদের নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত, জেনে না থাকলে প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন। এই নামাজ অতি গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ন ইবাদত। এই নামাজ সুন্নত। নবী মোহাম্মদ (সঃ) মাঝে মাঝেই এই নামাজ পড়তেন।এই নামাজ হলো সমস্ত আম্বিয়ার সুন্নত। পবিত্র কুরআনে তাহাজ্জুদ নামাজ সম্পর্কে অনেক কথা রয়েছে। আল্লাহর সাথে বান্দার গভীর সম্পর্ক স্থাপন তথা নৈকট্য ও সন্তোষ আদায়ের অন্যতম পথ।তাহাজ্জুদ নামাজের ফজিলত সম্পর্কে আল্লাহ তায়া’লা বলেছেন,’আর রাত্রির কিছু অংশ তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করবে;এটা তোমার এক অতিরিক্ত কর্তব্য;আশা করা যায় তোমার রব তোমাকে প্রতিষ্ঠিত করবেন প্রশংসিত স্থানে (সুরা বাণী ইসরাঈল,আয়াত:৭৯)।

আল্লাহ তায়া’লা আরো বলেন,’আর শয্যা ত্যাগ করে তাদের রবকে ডাকে আশায় ও আশংকায়, এবং তাদেরকে যে রিয্ক দান করেছি তা হতে তারা ব্যয় করে। ‘(সুরা সেজদা,আয়াত:১৬)। নফসের রিয়াজাত ও তরবিয়াতের এক বিশেষ মাধ্যম হলো তাহাজ্জুদ এর নামাজ।কারণ এ নামাজ গভীর রাতে কোন বাধ্যবাধকতা না থাকা সত্ত্বেও প্রভুর নৈকট্য লাভের জন্য গভীর রাতে সুখের ঘুম ত্যাগ করে।পবিত্র কুরআনে তাই উল্লেখ করা আছে,’নিশ্চয়ই ইবাদতের জন্য রাত্রিকালে উঠা নফসকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য খুব বেশি কার্যকর ও সেই সময়ে কুরআন পাঠ বা জিকির করা খুবেই কার্যকর।'(সূরা মুজাম্মিল,অায়াত:৬)।কুরআনের তাহাজ্জুদ নামাজ নিয়ে আরো বলা হয়েছে এবং তারা রাত্রি অতিবাহিত করে তাদের রবের উদ্দেশ্যে সিজদাহ্নত হয়ে ও দন্ডায়মান থেকে।

কুরআনের আরো আছে,’মহা নবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ) হাদিস শরীফেও তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত তুলে ধরেছেন।মিশকাতুল মাসাবিহ গ্রন্থকার সুনানে আহমেদ এর উদ্ধতি দিয়ে বলেছেন,’আবু হুরায়রা(রাঃ)থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, অামি নবী মোহাম্মদ (সঃ) কে বলতে শুনেছি।ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ নামাজ হলো তাহাজ্জুদ এর নামাজ।হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিত, মহানবী (সঃ)বলেন,’আল্লাহ প্রতি রাতেই নিকটবর্তী আকাশে অবস্থান করে।যখন রাত্রির শেষ তৃতীয় ভাগ অবশিষ্ট থাকে তখন তিনি বলতে থাকেন কে আছো যে আমাকে ডাকবে,আমি তার ডাকে সাড়া দিবো।কে আছো যে আমার কাছে চাইবে,তবে আমি তাকে দান করবো।কে আছো যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করবো।(বুখারী ও মুসলিম)।

হাদিসে আরো উল্লেখ আছে যে,’আল্লাহ তিন ধরনের ব্যক্তির প্রতি আল্লাহ খুশি হন।এক.যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদ এর নামাজের জন্য উঠেন এবং নামাজ পড়েন।দুই.যারা নামাজের জন্য সাড়িবদ্ধভাবে কাতারে দাঁড়ান।তিন.মুজাহিদ যারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করার জন্য সাড়িবদ্ধভাবে দাঁড়ান। মুসলিম শরিফে তাহাজ্জুদ নামাজ নিয়ে আরো উল্লেখ আছে,’রাতের এমন একটি মুহুর্ত আছে তা যদি কোন মুসলমান তা লাভ করে এবং ইহকাল ও পরকালের জন্য কোন কল্যান চায় তাহলে আল্লাহ নিশ্চয়ই তাকে তা দান করেন।তাহাজ্জুদ এর নামাজ পড়ার নির্দিষ্ট কোন সুরা নেই।যেনো সুরা দিয়ে পড়লেই হবে।তবে বড় কোন সুরা যদি মুখস্থ থাকে,তাহলে তা দিয়ে পড়া উত্তম।তাহাজ্জুদ এর নামাজ মন ও চরিত্রকে নির্মল ও পরিষ্কার বা পরিত্র করে এবং সত্য সুন্দর পথে থাকার কার্যকর পন্থায়।যারা নিয়মিত তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে আল্লাহ তাদের সব বিপদ আপদে ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান করেন।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com