1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন

দুর্ভিক্ষের যে সমাধান দিয়েছে ইসলাম জেনে নিন

  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ২৩ মে, ২০২০
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে

দুর্ভিক্ষের যে সমাধান দিয়েছে ইসলাম আসুন তা জেনে নেই। ইসলামের দৃষ্টিতে দূর্ভিক্ষ মোকাবেলার পূর্বপ্রস্তুতি ও পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে এবং দুর্ভিক্ষ, খাদ্য সংকট ইত্যাদি পরিস্থিতি জনগনের কোন ভাবেই গোপন করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকতে হবে।এই পরিস্থিতি জনগনের সামনে তুলে ধরতে হবে। নবি ইউসুফ(আঃ)এর ঘটনা কোরঅানে তুলে ধরে আল্লাহ এক মহা দৃষ্টান্ত  স্থাপন করেছেন।আল্লাহ বলেন,ইউসুফ বলিল, তোমারা সাত বছর একাদিক্রমে চাষ করিবে অতঃপর যে শস্য কর্তন করিবে উহার মধ্যে যে সামান্য পরিমাণ তোমরা ভক্ষন করিবে,তাহা ব্যতীত সমস্ত শীষ সমেত রাখিয়া দিবে ;ইহার পর আসিবে সাতটি কঠিন (দুভিক্ষের)বৎসর,এই সাত বছর যা পূর্বে সঞ্চয় করিয়া রাখিবে, লোকে তাহা খাইবে ;কেবল সামান্য কিছু যাহা তোমরা সংরক্ষণ করিবে তাহা ব্যতীত।

অতঃপর আসিবে এক বৎসর, সেই বছর মানুষের জন্য প্রচুর বৃষ্টি পাত হইবে এবং সেই বৎসর মানুষ প্রচুর ফলের রস নিংড়াবে।(সূরা ইউসুফ:৪৭-৪৯)।এ থেকে আমরা বুঝতে পারি কোরঅানেও দুর্ভিক্ষের ইঙ্গিত দেওয়া আছে আর এই পরিস্থিতি কিভাবে পার করতে হবে সেই কথা বলা হয়েছে।শুধু কৌশল ও শ্রম দ্বারাই খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়, এই জন্য নৈতিকতা ও খোদাভীতিই খাদ্য নিরাপত্তাকে এমন ভাবে ত্বরান্বিত করে যা মানুষ  কল্পনাই করতে পারে না।পবিত্র কুরআন এ বলা হয়েছে,যে কেহ আল্লাহ কে ভয় করলে আল্লাহ তাহার  পথ করিয়া দিবেন এবং তাহাকে তাহার ধারণাতীত উৎস হতে দান করবেন রিজিক।

যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর নির্ভর করে তাহার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। আল্লাহ তাহার ইচ্ছা পূরন করিবেনেই;আল্লাহ সমস্ত কিছু স্থির করিয়াছেন নির্দিষ্ট মাত্র (সূরা তালাক:২-৩)।ইসলামি আইনের অন্যতম প্রধান উৎস পবিত্র আল কুরআন ও সুন্নাহ অধ্যয়ন করলে এই বিষয় টি সন্দেহাতীত ভাবে  বোঝা যায় যে,দারিদ্র্য পীড়িত ও ক্ষুধাক্লিষ্ট সমাজ ইসলামে কাম্য নয়। কেননা,পবিত্র কুরআনে রিজিক প্রাপ্তি ও ক্ষুধার অভিশাপ থেকে আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ ও নেয়ামত স্বরুপ বিবৃত হয়েছে এবং নবি মোহাম্মদ(সঃ)যে অসংখ্য দোয়া শিখিয়েছেন তার মধ্যে দরিদ্র ও ক্ষুধা থেকে মুক্তির দোয়াও রয়েছে। 

আল্লাহ তার বান্দাদের পরিক্ষা করার জন্য সাময়িক সময়ের জন্য বিপদ দিয়ে থাকেন। এই বিপদে মুসলমান হিসেবে আমাদের ধৈর্য ধারণ করতে হবে ও কুরআন ও হাদিসের আলোকে সমাধান খুজে বের করতে হবে। সর্বোপরি সকল কিছুর মালিক আল্লাহ তায়া’লা র উপর ভরসা রাখতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com