1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন

ইংল্যান্ডের রাজনীতিতে রানী এলিজাবেথ কতটা প্রভাবশালী যা জানে না অনেকেই

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ১৫ জুন, ২০২০
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

ইংল্যান্ডের রাজনীতিতে রানী এলিজাবেথ কতটা প্রভাবশালী, যা আপনি জানেন না।ইংল্যান্ডের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ১৯২৬ সালের ২১ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ১৯৫২ সালে ইংল্যান্ড রাজতন্ত্রের ক্ষমতা বুঝে নেন।রাণী এলিজাবেথ বিশ্বের ১৬ টি সার্বভৌম রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত কমনওয়েলথ প্রধান।শুধু তাই নয় তিনি ৫৪ সদস্য বিশিষ্ট কমনওয়েলথ অফ নেশনসের হয়েও দায়িত্ব পালন করছেন।রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ এর কিছু বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে যা পৃথিবীর আর কোন রাষ্ট্রপ্রধানের নেই।এই রাণির দখলে ঠিক কি পরিমাণ অর্থসম্পদ রয়েছে তা অজানা।বিট্রিশ রাজপরিবারের এক সূত্র থেকে জানা যায় প্রায় ২৮ কোটি পাউন্ড পরিমাণ অর্থসম্পদের মালিক ৯৪ বছর বয়সী এই রাণী এলিজাবেথ এর।

তিনি ১৯৪৭ সালে গ্রীস ও ডেনমার্কের রাজকীয় পরিবারে জন্মগ্রহণ করা প্রিন্স ফিলিপ এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হোন।রাণী এলিজাবেথ এর এমন কিছু বিশেষ ক্ষমতা আছে যা শুনলে আপনি চমকে যাবেন,চলুন তাহলে জেনে নেই কি সেই বিশেষ ক্ষমতা।শুনে অবাক হলেও বিষয়টি সত্যি।হয়তো মনে প্রশ্ন জাগতে পারে এ আবার কিভাবে সম্ভব এমন হতে পারে নাকি একজন রাণী আবার সব ডলফিনের মালিক হয় কিভাবে।কিভাবে হয় তা বিস্তারিত বলছি,১৩২৪ খ্রীস্টাব্দে রাজা দ্বিতীয় এডওয়ার্ডের রাজত্বকালে একটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছিলো।আইনটি ছিলো এমন ব্রিটেনের সমস্ত ডলফিন এবং তিমি মাছের মালিকানা পাবেন রাজতন্ত্র প্রধান।সেই আইন অনুযায়ী ব্রিটেনের যত ডলফিন এবং তিমি আছে সবগুলোর মালিকানা রাণী এলিজাবেথ এর।আইন প্রণয়নের এতো বছর পরও বিনা বাক্যব্যয়ে আইনটি মানা হচ্ছে দারুণ ভাবে।

হ্যাঁ ঠিক শুনেছেন যে রাণীর নামেই ব্রিটেনের সকল গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করা হয় সেই রাণীর গাড়ি চালাতে কোন লাইসেন্স প্রয়োজন হয়না।আর সমগ্র ব্রিটেনে এই সুবিধা শুধু রাণী এলিজাবেথই পেয়ে থাকেন।এমনকি রাণী এলিজাবেথ যে গাড়ি চালান তার নাম্বার প্লেট না থাকলেও কোনো রকম কোনো সমস্যা হয়না।রাণী এলিজাবেথ এর রয়েছে একজন নিজস্ব কবি।আর সেই কবিকে সম্মানী হিসেবে থাকে বিশেষ এক ধরনের ওয়াইন।যে কবিকে রাণী এলিজাবেথ নিজস্ব কবি হিসেবে মনোনয়ন করবেন তার কাজের জাতীয় তাৎপর্য থাকতে হবে।জাতীয় তাৎপর্য না থাকলে তিনি নিয়োগ পাবেন না।রাণীর বর্তমান নিজস্ব কবি হলেন অ্যান ডাফি।

একদেশের রাষ্ট্রপ্রধান আবার অন্যদেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে বহিষ্কার করে কিভাবে সেটা একটা প্রশ্ন।রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান।তিনি যে শুধু অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান তা ঠিক নয় তিনি অস্ট্রেলিয়া ছাড়াও আরও ১৪ টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান।কমেনওয়েলথ এর অন্তর্ভুক্ত ১৬ টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানই তিনি।তিনি যদি চান তো যেকোনো মূহুর্তে অস্ট্রেলিয়ার সরকারকে বহিষ্কার করতে পারেন।১৯৭৫ সালে একবার রাণী কতৃক অস্ট্রেলিয়ার সরকারকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো।ব্রিটেনে রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ যতক্ষণ পর্যন্ত অনুমতি না দিবেন ততক্ষণ পর্যন্ত কোন আইন পাশ হবেনা।দুটি পার্লামেন্ট থেকে আইন পাশ হলেও রানী সম্মতি না দিলে সেই আইন বাতিল হয়ে যাবে তা আর পাশ হবেনা পার্লামেন্টে।আর আইন প্রয়োগ করার এই বিষয়টিকে বলা রয়েল অ্যাসেন্ট।ব্রিটেনের রাষ্ট্রীয় ধর্ম ‘চার্চ অব ইংল্যান্ড’ প্রধান রাণী এলিজাবেথ।রাণী এলিজাবেথ ছাড়া অন্য কেউ চার্চের বিশপ বা আর্চবিশপ নিয়োগ দিতে পারবেন না।আর এই নিয়মের কারণে ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের কেউ চার্চ অব ইংল্যান্ড ধর্মের বাইরে যেতে পারবেন না।সবাইকেই এই ধর্মের মতাবলম্বী হতে হবে।অন্য ধর্মের কেউ ব্রিটেনের রাজতন্ত্রের রাজা বা রানী হওয়ার ক্ষমতা পাবেনা।

ব্রিটেনের রাণির বিরুদ্ধে অভিযোগ করার ক্ষমতা কারোর নেই।ব্রিটেনের রাণীর নামেই আদালতের বিচারকার্য সম্পন্ন হয়।তাই রাণীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার স্বাক্ষ্য দেওয়ার ক্ষমতা কারোর নেই।বলা হয় ব্রিটেনের রাণী কোন অপরাধ করতে পারেন না।কিন্তু রাণীর এই বিশেষ ক্ষমতাটি কিছুটা প্রশ্নবিদ্ধ।মানুষ মাত্রই ভুল।পারে তার দ্বারা কোন ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।কিন্তু ক্ষমতাতো ক্ষমতাই।অবশ্য রাণীর এই বিশেষ ক্ষমতাটি নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন ব্যারিস্টার হেলেনা।বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন,’রাণীর এই বিশেষ ক্ষমতা নিশ্চই প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়।’

ব্রিটেনের রাণী হওয়ার সুবাদেই বিপুল অর্থসম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও তিনি কর দিতে বাধ্য নন।তিনি কর দিলেও ঠিক আছে না দিলেও।সেটা সম্পূর্ণ উনার ব্যাক্তিগত অভিমত তিনি কি করবেন।তাকে কোনো ভাবেই বাধ্য করা হবেনা বা তিনি কোন জবাবদিহি করবেন না এই ব্যাপারে।বাধ্যবাধকতা না থাকা সত্ত্বেও স্বেচ্ছায় তিনি ১৯৯২ সাল থেকে কর দিয়ে আসছেন।রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ এর যেই ক্ষমতা তা হয়তো পৃথিবীর আর কোন রাষ্ট্রপ্রধানের নেই।অসাধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন এই নারী একটি উদাহরণ।যিনি ৯৪ বছর বয়সে এসেও বয়সের ভারে একটুও নুয়ে পড়েননি।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com