1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন

মিশরের পিরামিডের অজানা রহস্য যা জানলে আপনি চমকে যাবেন

  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২০
  • ৩৩ বার দেখা হয়েছে
মিশরের পিরামিডের অজানা রহস্য

মিশরের পিরামিডের অজানা রহস্য যা জানলে আপনি  চমকে যাবেন। মিশরের নাম শুনলে আমাদের সবার আগে মনে পরে পিরামিডের কথা।সেখানে রয়েছে অনেক পিরামিড। পিরামিডকে ঘিরে রয়েছে নানা ধরনের রহস্য।এজন্য সেখানে কৌতুহলপ্রিয় মানুষ অনেক বেশি আনাগোনা দেখা যায়। পিরামিড প্রাচীন সপ্তম আশ্চর্যের মধ্যে একটি।আসুন প্রতিবেদন থেকে জেনে নেই।

ফরহো জোসেরের নির্মিত হয়েছে মিশরের সবচেয়ে প্রাচীন পিরামিডটি।জোসেরে পিরামিডটি এর কাঠামোর জন্য স্টেপ পিরামিড হিসেবে পরিচিত। মিশরের সমতল প্রথম পিরামিড হিসেবে দহশুরের লাল পিরামিড পরিচিত। এই পিরামিডটি ফেরাউন সোফেরুর জন্য নির্মিত হয়েছে। পিরামিড যারা বানাতেন তারা অনেক বেশি প্রতিভাবান লোক ছিলো।ইমোটেপ নামে একজন স্থপতি অনেক প্রতিভাসম্পন্ন ছিলো।সে একাধারে স্থপতি,গণিতবিদ, মহাযাজক ছিলো। ফিরাউন খুফুর জন্য নির্মিত হয়েছে মিশরের জনপ্রিয় গিজা পিরামিড প্রথম দিকের।এই পিরামিড নির্মানের জন্য ধারণা করা হয় প্রায় ১ লাখ শ্রমিক কাজ করেছে।প্রাচীর গ্রিকরা খুফুর নামে ‘চোপস’বলতো।সেজন্য এই পিরামিডটি চোপস পিরামিড নামে পরিচিত। ফেরাউন খুফুর নিজের জন্য নির্মিত পিরামিডের পাশে আরো তিনটি পিরামিড বানান তার রানীদের জন্য।আবার দাস দাসিদের জন্য বানানো হয় ছোট ছোট মস্তবা। গিজারের ঐতিহাসিক পিরামিড নির্মান করতে প্রায় ২২ মিলিয়ন পাথরের ব্লক করা হয়।

প্রকৌশলী গ্লিন ড্যাশ গিজা পিরামিড নিয়ে অনেক দিন গবেষণা করেন।তিনি গবেষণা পত্রে লিখেন, মিশরীয়রা ফল ইকুইনক্স বা শারদ বিষুপকে ব্যবহার করে তারা এত নিখুঁত হিসাব করে। মৃ’ত্যুর পর শান্তিতে ঘুমানোর জন্য খুফুর তার জন্য বানানো পিরামিডের মধ্যে কোন চিত্রলিপি করেন নি। গ্রেট পিরামিড বিশ্বের প্রাচীন সপ্তম আশ্চর্যের একটি। এটাকে বলা হয়,’বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ম্যানেমেড কাঠামো’। গিজায় খুফুর তিনটি পিরামিড থাকার পরও সে তার খাফ্রে ও তার নাতি মেনকুরের জন্য বানান আরো একটি পিরামিড। এই পিরামিড গ্রেট পিরামিডের তুলনায় ছোট। মিশরীয় ধারণা ছিলো মানুষ মা’রা গেলে তারা হয়ে যায়।আকাশ থেকে গ্রেট পিরামিড দেখলে মনে হয় এটি’থ্রী স্টার’ তারা। সবশেষে গিজার পিরামিড সম্পর্কে গবেষণায় প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলেছে,এটি স্থানীয় শ্রমিরা নির্মান করেছেন, দাসরা নয়।

পিরামিডের বাইরের আবরণ এক বিশেষ পাথর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।যার ফলে সূর্যের আলো পড়লে তা মনে হয় হীরা জ্বলছে। মিশরের পিরামিড এর ভিতরে সব সময় ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এ থাকে।তবে রাত বা দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কিছুটা পরিবর্তন হয়। মৃ’ত ফেরাউন লাশ বা মমি রাখার জন্য বিশেষ বাক্সের ব্যবস্থা রয়েছে। মিশরের পিরামিড গুলো নীল নদের পশ্চিম তীরে অবস্থিত। মিশরীয়দের ধারণা সূর্য পশ্চিম এ অস্ত যাওয়ার সময় এদের সম্মান জানায়। প্রাচীন নির্মাতাদের দ্বারা ব্যবহৃত মর্টার পাথরের রহস্য আজো ভেদ হয় নি। পিরামিড জগতে সমাপ্তি ঘটে ফেরাউন পেপির শাসন  কালের মধ্যে দিয়ে।মিশরের পিরামিডের অজানা রহস্য যা জানলে আপনি  চমকে যাবেন। মিশরের নাম শুনলে আমাদের সবার আগে মনে পরে পিরামিডের কথা।সেখানে রয়েছে অনেক পিরামিড।পিরামিডকে ঘিরে রয়েছে নানা ধরনের রহস্য। এজন্য সেখানে কৌতুহলপ্রিয় মানুষ অনেক বেশি আনাগোনা দেখা যায়। পিরামিড প্রাচীন সপ্তম আশ্চর্যের মধ্যে একটি।আসুন প্রতিবেদন থেকে জেনে নেই।

ফরহো জোসেরের নির্মিত হয়েছে মিশরের সবচেয়ে প্রাচীন পিরামিডটি।জোসেরে পিরামিডটি এর কাঠামোর জন্য স্টেপ পিরামিড হিসেবে পরিচিত। মিশরের সমতল প্রথম পিরামিড হিসেবে দহশুরের লাল পিরামিড পরিচিত। এই পিরামিডটি ফেরাউন সোফেরুর জন্য নির্মিত হয়েছে। পিরামিড যারা বানাতেন তারা অনেক বেশি প্রতিভাবান লোক ছিলো।ইমোটেপ নামে একজন স্থপতি অনেক প্রতিভাসম্পন্ন ছিলো।সে একাধারে স্থপতি,গণিতবিদ, মহাযাজক ছিলো। ফিরাউন খুফুর জন্য নির্মিত হয়েছে মিশরের জনপ্রিয় গিজা পিরামিড প্রথম দিকের।এই পিরামিড নির্মানের জন্য ধারণা করা হয় প্রায় ১ লাখ শ্রমিক কাজ করেছে।

প্রাচীর গ্রিকরা খুফুর নামে ‘চোপস’বলতো।সেজন্য এই পিরামিডটি চোপস পিরামিড নামে পরিচিত। ফেরাউন খুফুর নিজের জন্য নির্মিত পিরামিডের পাশে আরো তিনটি পিরামিড বানান তার রানীদের জন্য।আবার দাস দাসিদের জন্য বানানো হয় ছোট ছোট মস্তবা। গিজারের ঐতিহাসিক পিরামিড নির্মান করতে প্রায় ২২ মিলিয়ন পাথরের ব্লক করা হয়। প্রকৌশলী গ্লিন ড্যাশ গিজা পিরামিড নিয়ে অনেক দিন গবেষণা করেন।তিনি গবেষণা পত্রে লিখেন, মিশরীয়রা ফল ইকুইনক্স বা শারদ বিষুপকে ব্যবহার করে তারা এত নিখুঁত হিসাব করে। মৃ’ত্যুর পর শান্তিতে ঘুমানোর জন্য খুফুর তার জন্য বানানো পিরামিডের মধ্যে কোন চিত্রলিপি করেন নি। গ্রেট পিরামিড বিশ্বের প্রাচীন সপ্তম আশ্চর্যের একটি। এটাকে বলা হয়,’বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ম্যানেমেড কাঠামো’।

গিজায় খুফুর তিনটি পিরামিড থাকার পরও সে তার খাফ্রে ও তার নাতি মেনকুরের জন্য বানান আরো একটি পিরামিড। এই পিরামিড গ্রেট পিরামিডের তুলনায় ছোট। মিশরীয় ধারণা ছিলো মানুষ মা’রা গেলে তারা হয়ে যায়।আকাশ থেকে গ্রেট পিরামিড দেখলে মনে হয় এটি’থ্রী স্টার’ তারা। সবশেষে গিজার পিরামিড সম্পর্কে গবেষণায় প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলেছে,এটি স্থানীয় শ্রমিরা নির্মান করেছেন, দাসরা নয়। পিরামিডের বাইরের আবরণ এক বিশেষ পাথর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।যার ফলে সূর্যের আলো পড়লে তা মনে হয় হীরা জ্বলছে। মিশরের পিরামিড এর ভিতরে সব সময় ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এ থাকে।তবে রাত বা দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কিছুটা পরিবর্তন হয়। মৃ’ত ফেরাউন লাশ বা মমি রাখার জন্য বিশেষ বাক্সের ব্যবস্থা রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com