1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন

মোনালিসার ছবির পেছনে লুকিয়ে থাকা রহস্য

  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০
  • ৪৮ বার দেখা হয়েছে

মোনালিসার ছবির পেছনে লুকিয়ে থাকা রহস্য।মোনালিসা ছবিটির চিত্রকর হলেন লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি।লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির পুরো নাম লেওনার্দো দি সের পিয়েরো দা ভিঞ্চি।তিনি ১৪৫২ সালের ১৫ই এপ্রিল তুসকান এর ভিঞ্চি নামক এক পাহাড়ি এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন।ভিঞ্চি নামক সেই পাহাড়ি এলাকাটি আর্নো নদীর তীরে অবস্থিত ছিলো।ভিঞ্চি মূলত ফ্লোরেন্সের নোটারী পিয়েরি দ্যা ভিঞ্চি নামক এক ভদ্রলোক এবং ক্যাটরিনা নামক এক গ্রাম্য মহিলার অবৈধ সন্তান।লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির মা মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা দাসী ছিলেন।লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির কোন বংশ পদবি নেই।এখানে দ্যা ভিঞ্চি দ্বারা বুঝানো হয়েছে তিনি ভিঞ্চি নগরী থেকে এসেছেন।তার যে পুরো নাম লেওনার্দো দি সের পিয়েরো দ্যা ভিঞ্চি তার খুব সুন্দর একটি অর্থ আছে অর্থটি হলো,পিয়েরোর পুত্র ভিঞ্চি যিনি জন্মগ্রহণ করেছেন ভিঞ্চি নগরীতে।ভিঞ্চির জন্ম ইতিহাস নিয়ে ছোট্ট করে বলার কারণ হচ্ছে তিনি এতো প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠা সত্ত্বেও আমাদের এতো সুন্দর সুন্দর ছবি উপহার দিয়েছেন।তিনি প্রাতিষ্ঠানিক কোন শিক্ষা গ্রহণ করেননি যতটুকু যাই পড়াশোনা তার সবটাই ঘরোয়াভাবে।লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির ছবি আঁকা শুরুটা খুবই দারুণ।

একবার লিওনার্দোর বাবাকে নাকি স্থানীয় এক লোক বলেন,তিনি যেনো ভিঞ্চি কে একটি ছবি আকঁতে বলেন।বাবার কথা অনুযায়ী ভিঞ্চি একটি ছবি আকেঁন ছবিটি ছিলো একটি সাপের যার মুখ থেকে আগুন বের হচ্ছিলো।ছবিটি খুবই সুন্দর এবং নিখুঁত ছিলো।পরবর্তীতে ভিঞ্চির বাবা সেই ছবিটিকে স্থানীয় চিত্রকরের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে দিয়েছিলেন।আর যেই লোকটি ছবি আকাঁনোর জন্য ভিঞ্চির বাবাকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন তিনি ছবিটি দেখে ভিঞ্চিকে একটি আকর্ষণীয় উপহার দিয়েছিলেন।উপহারটি ছিলো হৃদয়ের ছবি আকাঁ একটি ফলক।ভিঞ্চির আকাঁর হাত এতোটাই ভালো ছিলো যে তার ‘দা ব্যাপ্টিজম অফ ক্রাইস্ট’ ছবিটি দেখার পর ভিঞ্চির ছবি আঁকার শিক্ষক পণ করেছিলেন যে তিনি আর ইহজীবনে ছবি আকঁবেননা।এইতো গেলো ভিঞ্চির জীবনের ছোট্ট একটি অংশ এবার আসা যাক লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির আকাঁ অন্যতম ছবি মোনালিসাতে।বলা হয়ে থাকে মোনালিসা নাকি লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির আকাঁ পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ের ছবি।আসলেই কি তাই?মোনালিসা ছবিটিতে কি আদৌও এতো সৌন্দর্য আছে?না নেই এতো সৌন্দর্য মোনালিসার ছবিতে টর্চ লাইট দিয়ে খুঁজেও আপনি কোন সৌন্দর্য বের করতে পারবেন না।আসলে মোনালিসার সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে মোনালিসা আকঁতে গিয়ে ভিঞ্চি যে রহস্যের জন্ম দিয়ে গিয়েছেন তাতে।তিনি মোনালিসার ছবিটি আকাঁ শুরু করে প্রায় ১২ বছর সময় নিয়েও ছবিটি আকাঁ শেষ করতে পারেননি।১৫০৩ সালে ভিঞ্চি মোনালিসা ছবি আকাঁ শুরু করেন ১৫১৫ সালে মোনালিসা আকাঁর সময়ই তিনি মারা যান।আর তার মৃত্যুটাই এক রহস্য।এই যে এই ১২ বছর ধরে তিনি মোনালিসা আকঁলেন তবুও কিন্তু ছবিটি তিনি সম্পন্ন করে যেতে পারেননি।

এখন আমরা মোনালিসার যে ছবিটি দেখি সেটি আসলে একটি অসম্পূর্ণ ছবি।আশ্চর্যের বিষয়টি হচ্ছে মোনালিসা বিভিন্ন এঙ্গেল থেকে তার হাসি পরিবর্তন করে।অর্থাৎ আপনি যদি একেকবার মোনালিসার ছবি একেক এঙ্গেল থেকে দেখেন তাহলে আপনি দেখতে পারবেন মোনালিসা তার হাসি পরিবর্তন করছে।মোনালিসার এই ছবিটি লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি কোন কাগজ বা কাগজের উপর আকেঁননি একেঁছিলেন পাতলা একধরনের কাঠের উপর।যে মোনালিসার ছবি ভিঞ্চি একেঁছিলেন সেই মোনালিসা আসলে কে বাস্তবে কি মোনালিসা আছে নাকি সম্পূর্ণ কল্পনা থেকে ভিঞ্চি ছবিটি একেঁছিলেন তা জানা যায়নি।তবে কিছু বিশেষজ্ঞ দাবি করছেন মোনালিসা ছবিটির নারী সম্পর্কে জানা গিয়েছে।বাস্তবে অস্তিত্বও নাকি পাওয়া গিয়েছে মোনালিসার।আর তাদের এমনটা দাবি করার পেছনে একটি কারণ হলো ২০০৫ সালে ভিঞ্চির উদ্দেশ্যে লিখা তার বন্ধুর এক চিঠি।চিঠিটি ভিঞ্চি বরাবর লিখেছিলেন তার বন্ধু ফ্রান্সিস জিয়াকন্ড।ফ্রান্সিস জিয়াকন্ড ১৫০৩ সালে ভিঞ্চির উদ্দেশ্যে একটি চিঠি লিখেন সেখানে ফ্রান্সিস অনুরোধ করেন ভিঞ্চি যেনো ফ্রান্সিসের প্রিয়তমা স্ত্রী লিসা জিয়াকন্ডের একটি ছবি একেঁ দেয়।বলা হচ্ছে বন্ধুর অনুরোধেই নাকি ভিঞ্চি মোনালিসা ছবিটি আকাঁ শুরু করেন।

মোনালিসার প্রকৃত নাম মোন্নালিসা যার অর্থ মাই লেডি।মোনালিসার ছবিটি আকঁতে এক বিশেষ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি।মোনালিসা ছবিটি আকঁতে বিশেষ যেই প্রযুক্তিটি ব্যাবহার করা হয়েছে তা সুফি মোটো নামে খ্যাত। ২০০৪ সালে বিজ্ঞানী পাস্কেল পাটে মোনালিসার ছবিটিকে আলাদা আলাদা ভাগে ভাগ করেন এবং সেই আলাদা আলাদা ভাগকে হাইডিফিকেশন ক্যামেরা দ্বারা ছবি তোলেন।বিজ্ঞানী পাস্কেল বিস্তর গবেষণা করে মোনালিসা সম্পর্কে যে তথ্যটি উদঘাটন করেন তা হলো ভিঞ্চি এই ছবিটি আকঁতে ৪০ মাইক্রোমিটার স্তরের রং ব্যাবহার করেছেন।অর্থাৎ রং একটি চিকন চুলের চেয়েও পাতলা ছিলো।পাস্কেল শুধু এই টুকুতেই ক্ষান্ত ছিলেন না তিনি আরও কিছু তথ্য দিয়েছিলেন ছবিটি নিয়ে যা তিনি গবেষণায় পেয়েছেন।পাস্কেলের গবেষণায় উঠে আসে মোনালিসা ছবিতে শুধু একটি মানুষের চিত্র ছিলোনা সেখানে আরও তিনটি চিত্র ছিলো।তার মধ্যে একটি লিসা জিয়াকন্ডের দ্বিতীয়টি লিওলার্দো দ্যা ভিঞ্চির নিজের মুখের সাথে মিল পাওয়া গিয়েছে।মাদারল্যান্ড ইউনিভার্সিটির এক সার্ভে মোনালিসা সম্পর্কে খুবই অদ্ভুত কিছু তথ্য দিয়েছেন।মোনালিসাকে যদি দূর থেকে দেখা হয় তাহলে মনে হয় মোনালিসা হাসছে,আবার কাছ থেকে দেখলে মনে হয় তিনি হাসছেননা বরং গভীর মনোযোগ দিয়ে কিছু ভাবছেন।মোনালিসার চোখের দিকে গভীরভাবে তাকালে মনে হয় ছবিটি হাসিখুশি কোন রমণীর আবার ঠোঁটের দিকে তাকালেই সেই হাসি মিলিয়ে যায়।মোনালিসা ছবিটির বামপাশ থেকে একটি বার্তা উদ্ধার করেছিলেন সাদারল্যান্ড ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা।তারা এই বার্তাটি উদ্ধার করেছিলেন আল্ট্রা ভায়োলেট পদ্ধতি ব্যবহার করে।উদ্ধার করা সেই বার্তাটি হলো লারিস্পোস্তা শ্রী তোভাকি যার বাংলা অর্থ উত্তরটা এখানেই আছে।কি বুঝাতে চেয়েছিলেন লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি এই সংকেতটি দিয়ে?

তার উত্তর সন্ধানে নেমেছিলেন প্যারানরমাল ম্যাগাজিনের একদল তরুণ ছাত্র।অনেক চেষ্টা অনেক গবেষণার পর যেই তথ্যটি তারা জানায় তা অনেক চমকে দেওয়ার মতো।ছবির বামপাশে যেখানে গোপন বার্তাটি দেওয়া ছিলো যে উত্তরটা এখানেই আছে ঠিক সেই জায়গাটিকে আয়নার কাছে আনলে নতুন একটি ছবি তৈরি হয়।বিজ্ঞানী পাস্কেল যে তৃতীয় চিত্রটির কথা বলেছিলেন এটি সেটি।তৃতীয় এই চিত্রটি কার কা কে শুনলে আপনি চমকে যাবেন।একটু নড়ে চড়ে বসুন সত্যিটা জানার জন্য।খুব বড় একটি চমক অপেক্ষা করছে আপনার জন্য।তৃতীয় এই চিত্রটি যেটি ভিঞ্চি একেঁছিলেন সেই চিত্রটি ভিঞ্চি দেখেছিলেন মূলত ১৫০০ সাল আগে।ছবিটি একটি এলিয়েনের।এলিয়েন কি সত্যি আছে কিনা সেই নিয়ে আমাদের সবার মধ্যেই একটা উৎকন্ঠা আছে।আর সেই এলিয়েনের ছবি একেঁছিলেন ভিঞ্চি।ভিঞ্চি কি সত্যি এলিয়েন দেখেছিলেন নাকি এটা তার কল্পনা আর কল্পনা হলে ছবিতে লুকিয়ে তিনি কিসের বার্তা দিয়েছেন তা এক রহস্য।এই ছবিটিকে ঘিরে যেমন রহস্য আবার লুভর মিউজিয়ামে আসা নিয়েও রয়েছে রহস্য।মোনালিসার ছবিটি প্যারিসের লুভর মিউজিয়ামে সর্বপ্রথম দেখা যায় ১৭৭৪ সালে।কিন্তু কে এবং কিভাবে ছবিটি মিউজিয়ামে আসলো তা মিউজিয়াম কতৃপক্ষ জানেনা।তারা কাউকে ছবিটি নিয়ে আসতে দেখেননি।তাহলে কি ভিঞ্চি নিজেই ছবিটি নিয়ে এসেছিলেন মিউজিয়ামে?তিনি কি চাইছিলেন ছবিটি প্রকাশ্যে আসুক?রহস্য এখানেই শেষ হয়ে যায়নি লুভর মিউজিয়াম থেকে ১৯১১ সালে রাতের আধারে চুরিও হয়ে গিয়েছিলো।আর চুরি করেছিলেন প্রায় ৩৫০ বছর আগে মারা যাওয়া লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি।এমনটাই জানিয়েছিলেন মিউজিয়ামের এক কর্মী।তিনি জানান তিনি নাকি রাতে ভিঞ্চিকে ছবিটি নিয়ে যেতে দেখেন।এই ঘটনার পর তিনি সেখান থেকে চাকরি ছেড়ে পালিয়ে যান।শুধু তাই নয় চুরি হওয়ার ঠিক দশ বছর পর আবার ছবিটিকে পাওয়া যায় লুভর মিউজিয়ামেই।রহস্যজনক ভাবে আবার ছবিটি কে রেখে গিয়েছে তা বলতে পারেনি কতৃপক্ষ।অদ্ভুত রহস্যেঘেরা এই ছবিটিকে মিউজিয়ামে রাখার জন্য মিউজিয়াম কতৃপক্ষ একটি নিরাপদ কক্ষ তৈরি করেছিলেন ৫০ কোটি টাকা খরচ করে।মোনালিসা ছবিটির বর্তমান মূল্য ৭৮০ মিলিয়ন ডলার যা বাংলাদেশী টাকায় ৫৩৮০ কোটি টাকা।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com