1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন

করোনা কালে শাক সবজি ও ফল পরিষ্কার করার নিয়ম

  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ২১ জুন, ২০২০
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে

করোনাকালে বাজার থেকে আনা  সবজি ও ফল পরিষ্কার করার  নিয়ম, যা সকলেরই জানা উচিত।  বর্তমানে কোন পরিস্থিতিতে নিজেকে সুস্থ-সবল রাখতে আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।  তার মধ্যে অন্যতম একটি হলো শাকসবজি কিংবা ফলমূল  সঠিক নিয়মে পরিষ্কার করে খাবার হিসেবে গ্রহণ করা।জনমনে অ’সন্তোষ সৃষ্টিকারী করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের অনেক অঞ্চলেই।  এ ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদের শরীরের  রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে আর এজন্য এখন মানুষ প্রচুর পরিমাণে শাক-সবজি ও ফলমূল ক্রয় করছেন। ক্রয় করছেন ভালো কথা, সেই সাথে সেটিকে পরিশুদ্ধ করা হচ্ছে তো নিয়ম মতো?  না করলে জেনেনিন সঠিক উপায় ফলমূল  ও শাকসবজি পরিশুদ্ধ করার নিয়ম।  কয়েকটি ধাপে ফলমূল কিংবা শাক-সবজি খাবার হিসেবে গ্রহণ করার  নিয়ম দেখানো হলো প্রথমে নিজের হাতকে জীবাণুমুক্ত করতে হবেঃবাজার থেকে আসার শাকসবজি, ফলমূল পরিষ্কার করার আগে আপনার নিচে হাত নিষিদ্ধ আছে কিনা তা দেখে নিতে হবে।  এগুলো  ধৌত করার আগে আপনাকে অবশ্যই আপনার হাত ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে ভালোভাবে ধুতে হবে সাবান কিংবা ডিটারজেন্ট দিয়ে।  উষ্ণ গরম পানি হলে ভালো হয়।  নিজের হাত  পরিশুদ্ধ করে তারপর আপনাকে কাজ করতে হবে।ফলমূল কিংবা শাকসবজি কিছু সময়ের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবেঃবাজার থেকে আনা ফরমাল কিংবা শাকসবজি কিছু  সময়ের জন্য ভিজিয়ে রাখুন।  ভিজিয়ে রাখা পানিতে ভিনেগার  ব্যবহার করতে পারেন।  এতে করে ফলমূল ও শাকসবজি উপরে থাকা  কেমিক্যাল গুলো দূর হবে।  তাছাড়া পানির সাথে ময়লাগুলো মিশে নরম হয়ে আলাদা হয়ে যাবে ফল কিংবা শাকসবজি থেকে।

ঘষে পরিষ্কার করতে হবেঃনিজে জীবাণুমুক্ত পরিষ্কার হাত দিয়ে  ঘষে ঘষে শাকসবজি কিংবা কর মুখে পরিষ্কার করে নিতে হবে।  এফ ডি এ এর মতে এতে নিজের শরীরে সংক্রমণের কোন  সম্ভাবনা নেই। নিজের হাতেই গুলোকে সঠিকভাবে পরিষ্কার করুন।   নিজের হাতে ভালোভাবে না ঘষলে গুলো ভালোভাবে  পরিশুদ্ধ হবে না। ব্রাশ কিংবা স্পঞ্জ এর ব্যবহারঃকিছু কিছু সবজি কিংবা ফল,যেগুলো দেখতে আকারে একটু বড় সেগুলোকে ব্রাশ কিংবা স্পঞ্জ এর মাধ্যমে পরিষ্কার করার পরামর্শ দিয়েছে এফডিআই। বেগুন, গাজর, আলু এই ধরনের সবজিগুলোকে ব্রাশ কিংবা স্পঞ্জ এর মাধ্যমে পরিষ্কার করা যায়। তবে যেভাবেই পরিষ্কার করা হোক না কেন,সবসময় এটা খেয়াল রাখতে হিবে যে খাবারের পুষ্টিগুন যেন অপরিবর্তিত থাকে। বেশি পরিমাণে ধৌত করতে গেলে অনেক সময় খাদ্য দ্রব্যের পুষ্টিগুন ব্যাহত হয়।তাই ব্যাপারটি খেয়াল রাখতে হবে। সাবান কিংবা ক্ষারের ব্যাবহার দূষনীয়ঃবাজার থেকে আনা শাকসবজি কিংবা ফলমূল বিষুদ্ধকরণের জন্য সাবানের ব্যাবহার করা যাবে না। সাবান ব্যাবহারের ফলে খাদ্যদ্রব্য আরও ক্ষতিকর হয়ে যেতে পারে। খাদ্যদ্রব্য ধোবার সময় কোথায় কোন পঁচা দাগ কিংবা নষ্ট অংশ দেখলে, সাথে সাথে সেটাকে কেটে বাদ দিয়ে দিতে হবে। কিছু সবজি বাসাক সবজির ক্ষেত্রে নিতে হবে অতিরিক্ত যত্নঃআঙুর বা  আঙ্গুর জাতীয় ফলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত যত্ন নেওয়া জরুরী। পাতাযুক্ত সবজি লেটুস ইত্যাদির ক্ষেত্রে একবাটি ঠান্ডা পানিতে কিংবা বরফের উপর এগুলোকে ধুয়ে রাখা উচিত।  পরবর্তীতে ফ্রিজিং করা যায় সে গুলোকে তোয়ালে বা টিস্যু দিয়ে মুছার মাধ্যমে।  লেয়ার জাতীয়  সবজি, যেমন বাঁধাকপির ক্ষেত্রে উপরের অংশ কেটে ফেলে দিতে হবে। এক্ষেত্রে এফডিআই এর পরামর্শ গুলো লক্ষ্য করা যায়।  তরমুজের টুকরো বাঙ্গি কিংবা লেটুসপাতা  ইত্যাদি আলাদা করে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে সংরক্ষণ করা যায় ফ্রিজে।  এতে করে অনেক সময় পচনের হাত থেকে বাঁচা যায় এবং সংরক্ষিত থাকে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  কাঁচা এবং রান্না করার খাদ্যদ্রব্য আলাদা করে রাখার পরামর্শ দেয়।  কাঁচা মাংস জাতীয় দ্রব্য মাছ  মাছের ডিম গরু বা খাসির মাংস এগুলোকে ফ্রিজ  ডিপে রাখতে হবে।  শাকসবজি ফলমূল ফ্রিজের নিচের অংশে রাখতে হবে। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিকে মোকাবেলা করার জন্য অবশ্যই আমাদের বাজারের ক্ষেত্রে সতর্কতাগুলো অবলম্বন করতে হবে।

আমাদের শরীরে করোনাভাইরাস চোখ নাক মুখে তিনটি ছিদ্র দিয়ে প্রবেশ করতে পারে।  তাই বাজারে যাওয়ার পূর্বে আমাদেরকে অবশ্যই মাস্ক এবং গ্লাভস পরিধান করে যেতে হবে। বাজারের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট দূরত্বে থেকে বাজার করতে হবে।  আমরা যদি এই সকল নিয়ম মানি তাহলে কোভিড-১৯  ভাইরাস আমাদের স্পর্শ করতে পারবে না।  তাই নিজে সতর্ক থাকুন এবং আপনার আশেপাশের মানুষদের কেউ সচেতন করুন।  ঘরে থাকুন সুস্থ থাকুন নিরাপদে থাকুন সতর্ক থাকুন। শরীর মন সুস্থ রাখতে মর্নিং ওয়াক। বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের কমে যায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। মানুষের মনে অবস্থান করে বিষাদগ্রস্ততা।  এইসব থেকে মুক্তি পেতে আমাদের কে   সুস্থ-সবল রাখতে বিশেষভাবে সহায়ক  হতে পারে সকাল বেলা হাটা। প্রতিদিন   নিয়ম করে ৩০ মিনিট হাঁটা আমাদের এনে দিতে পারে স্বাচ্ছন্দ।  এখন অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে, চলমান করোনা পরিস্থিতিতে মানুষ কিভাবে হাঁটবে? নিজের মন এবং শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য  এই ধরনের কোন বাহানায় কাজ হবে না।  এই পরিস্থিতিতে আমরা ছাদে যেয়ে হাঁটতে  পারি কিংবা বাসার নিচের খোলা জায়গায় কিছু সময় হাঁটতে পারি। প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটলে আমাদের শরীরের নেগেটিভ আয়রনের মাত্রা বাড়ে।  নেগেটিভ আয়রনের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে শরীরে বিশুদ্ধ অক্সিজেন জন্মায়।  এ বিশুদ্ধ অক্সিজেন আমাদের র’ক্তের মাধ্যমে শরীরের সকল জায়গায় পৌঁছায়।  ফলে আমাদের দেহের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।  আমরা সুস্থ থাকতে পারি এবং নিজেকে রোগমুক্ত রাখতে পারি।  এখন কথা না বাড়িয়ে চলুন জেনে নিই মর্নিং ওয়াকের কত উপকার আছে। মানসিক বিষাদগ্রস্ততা দূর করাঃপ্রতিদিন  নিয়ম করে ৩০ মিনিট হাঁটলে আমাদের শরীর ও মন  প্রফুল্ল থাকে।  সকালবেলা  সবজায়গায় যানবাহনের চাপ কম থাকায় ধুলাবালি  তেমন উড়ে না।  সকাল বেলা ফজরের   নামাজের পর বাইরে যখন আলোক ফুটে তখন  মনে হয় যেন বেহেস্তের বাতাস এসে লাগছে গায়ে। এই  নির্মল বায়ু আমাদের মস্তিষ্কে ভালো অনুভূতি সৃষ্টি করে।  স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ মাত্রা কমায়।  ফলে নিমিষেই দূর হয়ে আমাদের বিষাদগ্রস্ততা।ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়ঃনিয়মিত হাঁটলে আমাদের শরীরে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়। 

কেননা যারা নিয়মিত হাঁটেন তাদের শরীরে অক্সিজেনের ঘনত্ব ঠিক থাকে। এই সচেতন মানুষদের দেহে কর্ম ক্ষমতা সবসময় ভালো। নিয়মিত সকালে হাঁটার অভ্যাস আমাদের ওভারিয়ান, ব্রেস্ট, কিডনি এবং সার্ভিকাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়া থেকে আশ্চর্যজনকভাবে মুক্তি দেয়।  যারা নিয়ম করে সকালবেলা হাটেন তাদের দেহে ক্যান্সার কোষের জন্ম নেয় না  কিংবা  ঝুঁকি একদম নেই বললেই চলে। শরীরের অতিরিক্ত শর্করা কমায়ঃআমাদের দেশের দিন দিন ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেহে অতিরিক্ত শর্করা  ডায়াবেটিস রোগীর জন্য অনেকাংশে দায়ী।  যারা নিয়মিত হাঁটেন তাদের শরীরে ইনসুলিনের একটি ব্যালেন্স থাকে।  ফলে তাদের শরীরে শর্করার ঠিকঠাক মতন শোষণ করা যায়।  এবং রক্তে অতিরিক্ত পরিমাণ শর্করা জমে যায় না।  যাদের  পরিবারে ডায়াবেটিস রোগী আছে তাদের সকলকে উচিত প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে সকাল বেলা হাঁটা। মেদ কমায়ঃঅতিরিক্ত মেদ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত করার কোন বিকল্প নেই।  অতিরিক্ত মেদ আমাদের শরীরের অনেক রোগের সৃষ্টির কারণ।  খুব দ্রুত এই রোগ গুলো থেকে আমাদের মুক্তি পাওয়া সম্ভব  সকালে নিয়মিত হাঁটার মাধ্যমে। প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটলে আমাদের শরীরের চর্বি বার্ন হয়।  ঘামের মাধ্যমে আমাদের শরীরে থাকা অতিরিক্ত মেদ কমে যায়।  এবং পরবর্তীতে ও তাদের ক্ষেত্রে এটি বাড়ার আর কোনো সম্ভাবনা থাকেনা। এই অতিরিক্ত মেদ থেকে মুক্তি পেতে হলেও আমাদেরকে নিয়মিত সকালবেলা হাঁটতে হবে। মস্তিষ্কের কর্ম ক্ষমতা বৃদ্ধিতেঃমর্নিং ওয়াক করলে আমাদের  মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।  ভেতরের ভালো অনুভূতি আমাদেরকে যেকোনো কাজে মনোযোগী হতে সাহায্য করে।  ফলে সুস্থতার পাশাপাশি মর্নিংওয়াক আমাদের সফলতা এনে দেয় অনেকাংশে।★হার্ট ভালো রাখেঃযারা নিয়মিত সকালবেলা হাটেন তাদের অক্সিজেনের কোন ঘাটতি থাকে না শরীরে।  রক্তে নিয়মিত অক্সিজেন চলাচলের সুবিধা থাকলে র’ক্তের চাপ কমে। 

 মানুষের শরীরের কোলেস্টেরলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।  ফলে হার্টের পাম্পিং ও ভালো থাকে।  সকালে নিয়মিত হাঁটা হার্টএটাক কিংবা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়  অনেক।★হাড় মজবুত করেঃযারা নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করেন তাদের কোমর কিংবা হাত হাড়ের ক্ষেত্রে কোন সমস্যা থাকে না।  কারণ নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করলে দেহের হাড়ের জয়েন্টে সচলতা  বিদ্যমান থাকে সবসময়।  হাড়ের অনেক বড় একটি রোগের নাম হচ্ছে আর্থ্রাইটিস।  যারা নিয়মিত হাঁটেন তাদের আর্থ্রাইটিসের মতো বড় রোগে আ’ক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। আ’শঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে। সুতরাং, নিজের মনকে সুস্থ সচল রাখতে আমাদেরকে অবশ্যই নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।  বর্তমান কোন পরিস্থিতিতে কোন খুব বেশি বাইরে না গেলেও  বাড়ির ছাদে বারান্দায় কিংবা  বাসার নিচে হাঁটাহাঁটি করা যায়। তাই নিয়ম করে সকাল বেলা হাঁটুন এবং হাঁটতে-হাঁটতে  যারা বাজার করে আনেন তারাও   বাসায় এসে নিজেকে পরিষ্কার করার পাশাপাশি  বাজার থেকে আনা খাদ্যদ্রব্য গুলোকেও যথানিয়মে পরিষ্কার করুন।  নিজে সুস্থ থাকুন এবং  পরিবারকে সুস্থ রাখুন।  সাবধানতা এবং সতর্কতাই পারে আমাদের এই পরিস্থিতি থেকে উ’দ্ধার করতে।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com