1. asmaakter99987@gmail.com : Asma Akter : Asma Akter
  2. jannatulsifa9486@gmail.com : BD NEWS 99 :
  3. ohanafariah8@gmail.com : Fariah Jalal Ohana : Fariah Jalal Ohana
  4. help.geniusplug@gmail.com : Geniusplug Technology : Geniusplug Technology
  5. jannatulparash123@yahoo.com : Jannat Parash : Jannat Parash
  6. jannatulsifa236@gmail.com : jannatul sifa : jannatul sifa
  7. kabirtanzim2@gmail.com : Kabir Mahmud : Kabir Mahmud
  8. jakia0702@gmail.com : Kuashabrita Usha :
  9. nilmubdiol@gmail.com : Md Mubdiul Islam : Md Mubdiul Islam
  10. mituakter54402@gmail.com : Mehreen Mitu :
  11. engr.romansarkar@gmail.com : romanbd :
  12. afrinsabrin2019@gmail.com : SABRIN AFRIN :
  13. jannatul.sifa@yahoo.com : Shahjadi Mukti :
  14. soyboliny@gmail.com : Shifat Afrin Semu : Shifat Afrin Semu
  15. suchonaislam23@gmail.com : Shuchona Islam :
  16. ummayjahan3@gmail.com : Tanzina Mim : Tazina MIm
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের আরো বেশি অসমাজিক করে তুলছে

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২৭ মে, ২০২০
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের আরো বেশি অসমাজিক করে তুলছে । নৈতিক মানোন্নয়নে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রতি’বন্ধকতা সৃষ্টি করে। আসুন এবারে জেনে নেয়া যাক।বর্তমান পৃথিবীতে তরুন সমাজের পছন্দের বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে অনলাইন ভিত্তিক  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।অবসর সময় বলেন,কাজের সময় বলেন,খেলার সময় বলেন, ঘুরতে যাওয়ার সময় বলেন,আড্ডা দেওয়ার সময় ইত্যাদি বলেন অনলাইনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সবকিছুরই সাথেই সমান অংশীদার হয়ে থাকে।পাশাপাশি বসা থাকলেও একজনের সাথে আরেকজনের মুখে কথা হয় না,হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এটা ই’তিবাচক দিক থেকে নে’তিবাচক দিকেই বেশি।

কারন এর ফলে কমে যাচ্ছে আন্তরিকতা। অনেক সময় অভিভাবক এর সামনে বসেও সন্তান অনলাইন ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হয়ে যা অভিভাবক বুঝতে পারছে না।এখনকার সময়ে, প্রায়ই তার প্রিয় ব্যক্তিটির নামে অভিযোগ করতে শুনা যায়,সে অনলাইন ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে  এতটাই আসক্ত যে আমাদের খোঁজ  নেওয়ার সময় পায় না।’তাই বলতে বলাই যায় যে,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কেবল নামেই সামাজিক, কাজের ক্ষেত্রে  সামাজিকতা রক্ষা থেকে অসামাজিক কার্যকলাপে বেশি লিপ্ত।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তরুন প্রজন্মকে অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত করে ফেলছে বলে মনে করেন অভিভাবকরা।১৭০০ অভিভাবক যাদের সন্তানদের বয়স ১১ বছর থেকে ১৭ বছর এর জরিপে তাদের ৫৫ শতাংশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিষোদগার করে বলছেন,স্যোশাল মিডিয়ার ফলে তার সন্তানরা অনৈতিক হয়ে পরছে বলে দাবি করেছেন। বিবিসির খবরে দেখানো হয়েছে সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের অভিভাবকদের উপর চালানো এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নৈতিক মানোন্নয়ন যা হয় তার পরিমান খুবেই ক্ষীন।কিছু অভিভাবক স্বীকার করেছেন যে,তাদের সন্তানেরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিবাচক ভালোবাসা, সাহস, মেধা ইত্যাদি বৃদ্ধি পেলেও এই সাইট গুলোর মাধ্যমে তাদের সন্তানের চরিত্রে ইতিবাচক বাচক প্রভাব পড়তে পারে এটা মানতে নারাজ।

বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ বছর জয়ন্তী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে চরিত্র ও গুনাবলির উপর এক গবেষণা পরিচালনা করা হয়।সেখানে গবেষক ব্লেয়ার মারগান জানানের গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।বিবিসির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে,সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের বয়স নূন্যতম বয়স ১৩ বছর বয়স হলেও ১০ বছরের নীচে অনেক বাচ্চা এইসব মাধ্যমে চলে এসেছে।এর মধ্যে ৪০ শতাংশের উপর বিরুপ প্রভাব পরে।

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর মধ্যে প্রায় সবাই মেসেঞ্জার, ফেইসবুক ব্যবহার করে।অনেক ধরনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থাকলেও ফেইসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবার উপরে।বিশেষজ্ঞরা বলেছেন,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহারকারীরা এগুলোর প্রতি আসক্ত হয়ে পরছে।অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কোন কাজ করার সময়ও তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।দৈনিক মানুষ কোন কারন ছাড়াই ১৫ ঘন্টার মত সময় ব্যয় করে থাকেন। যা ক্ষতিকর প্রভাব পরে মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে।এর ইতিবাচক দিক থেকে নেতিবাচক দিকেই বেশি।

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টটি শেয়ার করুন।

এই ক্যাটাগরির আরও পোষ্ট
© All rights reserved © 2020 bdnews99.com